করোনা সংক্রমণে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের এক কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে মহিলা শ্রমিকের সঙ্গে অপত্তিকর অবস্থায় ধরা পরে গ্রাম পুলিশের এক সদস্য। অভিযুক্তকে গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষুদ্ধ হয়ে ওঠে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ঢোলাহাট থানা এলাকা।
পুলিশ এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে দফায় দফায় চলে খণ্ডযুদ্ধ। পুলিশকর্মীদের লক্ষ করে শুরু হয় ইটবৃষ্টি। ভাঙচুর করা হয় গাড়ি। পুলিশের বিরুদ্ধেও গ্রামবাসীদের মারধর এবং লাঠিচার্জের অভিযোগ উঠেছে।
ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজার জানায়, ঢোলাহাট থানা এলাকার দিগম্বরপুরের কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে ছিলেন ওই মহিলা পরিযায়ী শ্রমিক। শুক্রবার( ১০ জুলাই) সেখানে তার সঙ্গে এক গ্রাম পুলিশকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান কয়েকজন। খবর পেয়ে গ্রামবাসীরা সেখানে গিয়ে দু’জনকেই আটকে রাখেন।
ঢোলাহাট থানায় পুলিশকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে, গ্রামবাসীরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। ওই গ্রাম পুলিশকর্মীকে ঢোলাহাট থানার হাতে তুলে দিতে অস্বীকার করেন গ্রামবাসীদের একাংশ।
ওই মহিলা এবং গ্রাম পুলিশকে উদ্ধার করতে গিয়েই আচমকাই উত্তেজিত জনতা পুলিশের উপর হামলা করে। শুরু হয় ইটবৃষ্টি। পুলিশও পাল্টা লাঠিচার্জ করে। উত্তেজিত হয়ে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করেন গ্রামবাসীরা।
যদিও গ্রামবাসীদের একাংশ দাবি করছেন, পুলিশ কর্মীদের জন্যই এখানে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। নির্বিচারে লাঠিচার্জ হয়েছে। অনেকে আহত। পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, ওই গ্রাম পুলিশের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে। যদি সে দোষী প্রমাণিত হয়, তা হলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

