ভবিষ্যতে সুযোগ এলে ইভাঙ্কাকেই প্রেসিডেন্ট দৌড়ে এগিয়ে দেবেন ট্রাম্প। এমনকি ইভাঙ্কা নাকি প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা হয়েছেন শতর্সাপেক্ষে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মেয়ে-জামাইয়ের সঙ্গেই এই চুক্তি করেছেন।
মাইকেল উল্ফ নামে এক সাংবাদিক তাঁর বই ‘ফায়ার অ্যান্ড ফিউরি: ইনসাইড দ্য ট্রাম্প হোয়াইট হাউস’-এ এই দাবি করেছেন।
উল্ফের দাবি, হোয়াইট হাউসের ভেতর ও বাইরের দু’শোরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ মানুষের সেখানেই তিনি খোলসা করেছেন, নিজের মেয়েকে আমেরিকার প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্ট করতে কেন মরিয়া ডোনাল্ড ট্রাম্প।
উলফের এই বইটিতে বলা হয়েছে, ইভাঙ্কা ও তাঁর স্বামী জ্যারেড কুশনার ‘হোয়াইট হাউসের’র অন্যতম শক্তি-অক্ষ। ক্ষমতার চুড়োয় থাকা এই দম্পতির সঙ্গে টানাপড়েন শুরু হয় প্রেসিডেন্টের প্রাক্তন প্রধান মন্ত্রণাদাতা স্টিভ ব্যাননের। স্বামী-স্ত্রী জুটিকে ‘জ্যাভাঙ্কা’ নাম দিয়েছিলেন ব্যানন।
চাকরি থেকে বরখাস্ত হওয়ার পরে, গত ডিসেম্বরেই জ্যাভাঙ্কা নিয়ে বোমা ফাটিয়েছিলেন ব্যানন। বলেছিলেন, ট্রাম্প আমলের ‘যত ফালতু সিদ্ধান্তের’ জন্য দায়ী এই ‘বেকুব’ স্বামী-স্ত্রী।
এর পরিপ্রেক্ষিতে বুধবারই এক বিবৃতিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ব্যানন সম্পর্কে বলেছেন, ‘ওর চাকরি গিয়েছে। সঙ্গে মাথাটাও গিয়েছে!’
তবে রাজনৈতিক কেরিয়ার বানাতে যে খুবই আগ্রহী ইভাঙ্কা,তার কিছুটা ইঙ্গিত আগেই পাওয়া গিয়েছিল তাঁর মা ইভানা ট্রাম্পের আত্মজীবনীতে।
‘রেজিং ট্রাম্প’ নামে সেই মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রাক্তন স্ত্রী লিখেছিলেন, ‘আমার মেয়ের মধ্যে প্রবল রাজনৈতিক চেতনা রয়েছে। সোনার ভবিষ্যৎ অপেক্ষায় রয়েছে ওর।’
এদিকে ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির অজানা সব বিস্ফোরক তথ্যে ভরা নতুন বই প্রকাশ ঠেকানোর চেষ্টায় নেমেছেন তার আইনজীবীরা। ট্রাম্পের আইনজীবীরা একটি চিঠিতে বইটির লেখক এবং প্রকাশকের কাছে এর প্রকাশ, প্রচার এমনকি প্রকাশনাও অবিলম্বে বন্ধ করার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে মার্কিন এটর্নি চার্লস জে হার্ডার বলেছেন, তিনি বইটির লেখকের বিরুদ্ধে মানহানির অভিযোগ আনবেন। বইটিতে ট্রাম্পকে নিয়ে নানা অজানা তথ্যের মধ্যে হোয়াইট হাউজের সাবেক চিফ স্ট্র্যাটেজিস্ট স্টিভ ব্যননের একটি বিস্ফোরক মন্তব্য আছে।
