এই কাজগুলো করলে চাকরি গেলেও আপনি ভালো থাকবেন



চাকরি অস্থায়ী। তাই সব সময়ই প্রস্তুতি থাকা দরকার চাকরি গেলেও যেনো ভালো থাকা যায়। আর এ জন্য এই কাজগুলোতে অভ্যস্ত হন।

আত্মবিশ্বাস:

নিজের সামর্থ্যের ওপর বিশ্বাস রাখুন। চাকরি নানা কারণেই চলে যেতে পারে, কিন্তু তাই বলে আপনি ‘গুড ফর নাথিং’ হয়ে যেতে পারেন না।

ভেবে দেখুন, যে প্রতিষ্ঠানে আপনার চাকরি চলে গেছে, সেখানেও কিন্তু আপনার সামর্থ্য বিবেচনা করেই চাকরি দেওয়া হয়েছিল। তাই বেকার অবস্থাতে ইতিবাচক থাকা অত্যন্ত জরুরি। পরিশ্রম করলে এবং চেষ্টা অব্যাহত রাখলে এক না একদিন সফল হবেন আপনিও।

যোগাযোগ:

বন্ধু-বান্ধব বা পুরোনো সহকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগে কার্পণ্য করবেন না। যে কোনো সময়ে আপনার ক্যারিয়ারের রূপান্তর ঘটাতে পারে। তাই নিজেকে কখনো গুটিয়ে রাখবেন না।

দক্ষতার উন্নতি:

অবসরে নিজের দক্ষতার উন্নতিতে মনোযোগ দেওয়া যায়। বাড়তি কোনো পড়াশোনা বা ক্যারিয়ারের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন কোর্স করা যেতে পারে।

এতে একদিকে যেমন আপনার জীবনবৃত্তান্ত সমৃদ্ধ হবে, অন্যদিকে ফিরে পেতে পারেন নিজের হারানো আত্মবিশ্বাস। হয়তো এই বাড়তি পড়াশোনার সনদই আপনাকে পাইয়ে দেবে নতুন চাকরি।

অস্থায়ী কাজ খোঁজা:

অস্থায়ী বা পার্ট টাইম কাজ হাতে থাকা ভালো। খারাপ সময়ে এটা আপনার বিপদের সঙ্গী হবে।
আসলে কোনো পরিশ্রমই বৃথা যায় না।

অস্থায়ী কোনো কাজ যদি নিষ্ঠার সঙ্গে করেন, তবে তাতেও সাফল্য আসবে। আর অফিসের বড়কর্তা যদি দেখেন, অস্থায়ী কাজ আপনি ভালোভাবে করেছেন, তবে সেখান থেকেও এসে যেতে পারে স্থায়ী চাকরির প্রস্তাব। কারণ সব অফিসই দক্ষ ও পরিশ্রমী কর্মীকে ধরে রাখার চেষ্টা করে।

নিজের ব্যবসা:

ব্যবসার প্রতি মনোযোগ দেওয়া যেতেই পারে। নিজের ব্যবসায় স্বাভাবিকভাবেই অনেক স্বাধীনতা ভোগ করা যায়। অন্তত বসের কথায় উঠতে-বসতে হয় না। উদ্যোক্তা হলে তো আপনিই বস! তবে হ্যাঁ, ব্যবসায় আর্থিক ঝুঁকি বেশি থাকে। যদি সেই ঝুঁকি নেওয়ার সামর্থ্য আপনার থাকে এবং থাকে নিজস্ব মৌলিক ভাবনা, তবে ব্যবসা শুরু করাই যায়।

স্বেচ্ছাসেবা:

স্বেচ্ছাসেবীর কাজ বিনা বেতনের হলেও এই কাজে পাবেন মানসিক প্রশান্তি। মহৎ কোনো কাজে জড়ানোর তৃপ্তিও কম নয়।

সেই সঙ্গে এটি আপনার জীবনবৃত্তান্তকেও আকর্ষণীয় করে তুলতে পারে। কারণ চাকরিদাতারা শুধু যে ‘কর্মবীর’ খোঁজেন, তা নয়। একই সঙ্গে তাদের কাছে কর্মীর সততার মূল্যও অনেক। তাই বেকার জীবনে স্বেচ্ছাসেবীর কাজ মন্দ নয়।