“চাপ সৃষ্টি করলে তো বিএনপির অনেক নেতা নির্বাচনে আসতো”


গোপনভাবে ভোট দেয়া ভোটারের অধিকার: তথ্যমন্ত্রী


বিএনপি থেকে বেরিয়ে এসে নেতাদের নির্বাচন করার বিষয়ে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, চাপ সৃষ্টি করলে তো বিএনপির আরো অনেক নেতা চলে আসতো। আমরা কাউকে চাপ দিচ্ছি না।

আজ বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) প্রকাশিত সাংবাদিক স্বপন কুমার কু-ু রচিত ‘সাংবাদিকতার অ আ ক খ’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ সব কথা বলেন।

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, তাদেরকে (বিএনপি) এ দেশে রাজনৈতিক দল বলা হয় এবং তাদের সাথে আলোচনার কথাও কেউ কেউ বলে, এখন অবশ্য বলে না। তবে এই অপরাজনীতি যারা করে তাদের রাজনীতি করার অধিকার থাকা উচিত নয়। অগ্নিসন্ত্রাসী যাদেরকে ধরা হয়েছে এবং যারা এই জবানবন্দি দিয়েছে প্রত্যেকেই বিএনপির নেতা, একজন ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতিও আছেন সেখানে। অর্থাৎ জবানবন্দিগুলো থেকে এটা দিবালোকের মতো স্পষ্ট যে, কারা এগুলো করছে। রিজভী সাহেব অন্তরালে বসে তাদের দলের পক্ষ থেকে এ নির্দেশগুলো দিচ্ছেন।

আরও পড়ুনঃনির্বাচনে মহাজোটের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করবে জাতীয় পার্টি

সরকার বিএনপি থেকে বেরিয়ে এসে নির্বাচন করার জন্য কোনো দলের নেতাদের চাপ দিচ্ছে কি না -এ প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, চাপ সৃষ্টি করলে তো বিএনপির আরো অনেক নেতা চলে আসতো। আমরা কাউকে চাপ দিচ্ছি না। বিএনপির অপরাজনীতির সাথে তারা দ্বিমত পোষণ করে, তারা এই ধ্বংসাত্মক রাজনীতির সহযাত্রী হতে চায় না বিধায় বা এই জ্বালাও-পোড়াও বদনামটা তাদের ঘাড়ে যাতে না পড়ে সে জন্য এবং দেশের গণতান্ত্রিক ধারাকে অব্যাহত রাখার জন্যই বেরিয়ে এসে নতুন জোট করে নির্বাচন করার ঘোষণা দিচ্ছে বলে আমি মনে করি।

‘পোশাক শ্রমিক কল্পনা আখতার হুমকি বোধ করে যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে জানিয়েছেন’ এ বিষয়ে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে হাছান মাহমুদ বলেন, কেউ যদি নিরাপত্তাহীনতা বোধ করেন, তিনি প্রথমত পুলিশের দ্বারস্থ হন, অন্তত একটা জিডি করেন। কল্পনা আক্তার কোনো জায়গায় জিডি করেছেন বা তিনি নিরাপত্তাহীনতা বোধ করছেন সেটিও মৌখিকভাবে কাউকে বলেছেন বলে আমাদের জানা নেই। এখন কেউ যদি বাংলাদেশে বৃষ্টি হলে ওয়াশিংটনে ছাতা ধরে তাহলে সে নিয়ে আমার বলার কিছু নাই।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে কিছু মানুষ আছে, দেশে বৃষ্টি হলে হয় মস্কোতে ছাতা ধরে, না হয় ওয়াশিংটনে ছাতা ধরে, আবার কেউ কেউ পিকিংয়েও যায় ছাতা ধরতে। এখন বিষয়টা সে রকম কি না, আমি জানি না। তবে এ নিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেছেন যে, এটি নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাজ করছে, প্রয়োজনে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের কাছে জানতে চাইবে।