‘ফ্লাইং ট্যাক্সি’ আনছে রোলস রয়েস



ফ্লাইং ট্যাক্সি বাজারে আনার পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু করে দিয়েছে গাড়ি প্রস্তুতকারক ব্রিটিশ সংস্থা রোলস রয়েস। আগামী ১৮ মাসের মধ্যেই ‘উড়ন্ত ট্যাক্সির’ একটা প্রোটোটাইপ তারা তৈরি করে ফেলবে বলে আশা করছে। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে ২০২০-তেই আকাশে উড়বে এই ট্যাক্সি।

হেলিকপ্টারের মতোই এটি উল্লম্ব ভাবে টেক অফ করবে, ল্যান্ডও করবে সেই একই ভাবে। এই প্রক্রিয়াকে ইঞ্জিনিয়ারিং পরিভাষায় ‘ইলেকট্রিক ভার্টিক্যাল টেক-অফ অ্যান্ড ল্যান্ডিং (ইভিটিওএল) বলা হয়।

রোলস রয়েস জানিয়েছে, ‘ফ্লাইং ট্যাক্সি’তে চার-পাঁচ জন বসার মতো জায়গা থাকবে। এর ওড়ার সীমা ৮০৫ কিলোমিটার পর্যন্ত। সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৩২২ কিলোমিটার।

হাইব্রিড ভেহিকলটি পুরোপুরি ইলেকট্রিক সিস্টেম দিয়ে মুড়ে দেওয়া হবে। ব্যবহার করা হবে গ্যাস টার্বাইনও। রোলস রয়েস অল-ইলেকট্রিক প্রোডাক্ট নিয়ে গবেষণা করছে অনেক দিন ধরেই। কিন্তু এই হাইব্রিড ভেহিকলটির মতো সেগুলো উন্নত নয়।

তবে বাজারে রোলস রয়েস একাই ‘ফ্লাইং ট্যাক্সি’ আনছে না। এ নিয়ে ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করে দিয়েছে উব‌র, কিটি হক, লিলিয়াম অ্যাভিয়েশন, সাফরান এবং হানিওয়েল-এর মতো সংস্থা।

দারুণ পারফরম্যান্সের কারণে ইলেকট্রিক গাড়ির চাহিদা বাড়ছে। সে দিকে লক্ষ্য রেখে অ্যারোস্পেস সেক্টরগুলোও ইলেকট্রিক প্রপালসনের দিকে ঝুঁকছে।

ধরুন আপনি লন্ডন থেকে প্যারিস যেতে চাইছেন। অর্থাত্ ৩৫০-৪০০ কিলোমিটার দূরত্ব। সে ক্ষেত্রে ‘ফ্লাইং ট্যাক্সি’ পরিবহণের আদর্শ মাধ্যম হবে বলেই মনে করছে রোলস রয়েস।