বাংলাদেশের জন্য আজকে ফাইনাল



দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে বাংলাদেশের। জিততেই হবে, হারলে বিদায়। এমন সমীকরণে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ভারত। যেই ভারতকে সাম্প্রতিক সময়ে চোখ রাঙিয়ে কথা বলা বাংলাদেশ কাছে যেয়েও জিততে পারেনি।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ভারতের পরাজয় অনেক প্রশ্ন সামনে এনে দিয়েছে। ৩৩৮ লক্ষ্যে ভারত ছয় মেরেছে মাত্র একটি, ৪৯ তম ওভারে। অথচ ৬০ মিটারেরও কম ছিল এক প্রান্তের বাউন্ডারি সীমানা।

শেষের আগে হার মেনে যাওয়ায় ধোনি, কোহলিদের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন অনেকে। সেই লড়াইয়ের পরই মূলত ছিটকে গেছে বাংলাদেশ। ইংল্যান্ডের জয়ের ফলে এখন জিততে হবে অবশিষ্ট দুই ম্যাচেই।

পারবে কি বাংলাদেশ? তা হয়ত সময়ই বলে দেবে। তবে জিততে মরিয়া বাংলাদেশ দল যে ছাড় দেবে না তা বলাই যায়।

মাশরাফিও বললেন ভালো কিছু করতে চান। তিনি বলেন, ‘ভারতের বিপক্ষে আমার ভালো স্মৃতি আছে। আশা করি, এবারও ভালো হবে। তবে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন দলের ভালো করা।’

সবাই মিলে এক সাথে কাজ করলে কাজটা সহজ হয়ে যাবে বলে মনে করেন মাশরাফি।

ইংল্যান্ড-ভারত ম্যাচের উইকেটে খেলা হবে। ব্যবহৃত উইকেটে ভালো করতে চান বাংলাদেশের অধিনায়ক। এই প্রসঙ্গে তিনি বড় স্কোরের দিকেই মন দিতে চান, ‘ব্যবহৃত উইকেট কাজে লাগানোর জন্য সবাই তাকিয়ে থাকে। ভারত রান তাড়া করতে পছন্দ করে। যদিও ইংল্যান্ডের সঙ্গে তারা পারেনি। কারণ ইংল্যান্ডের বোলারদের মান ভালো। টস জিতে ব্যাটিং করলে বড় স্কোর করতে হবে।’

আফগানিস্তানের বিপক্ষে চোট পেয়েছিলেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। ঠিক মতো সেরে না উঠলে আজকের ম্যাচে তার খেলা নিয়ে রয়েছে সংশয়। যদি রিয়াদের খেলা না হয়, কে সুযোগ পাবে?

সাব্বির রহমান কিংবা মোহাম্মদ মিথুনের মধ্যে দলে কে থাকছেন তা নিয়ে চলছে গুঞ্জন। অন্যদিকে, চার পেসার তত্ত্বে দল সাজাতে পারে বাংলাদেশ বলে জানা গেছে।

সেক্ষেত্রে মেহেদী হাসান মিরাজের পরিবর্তে দলে অন্তর্ভুক্তি হতে পারে রুবেল হোসেনের।

মাঠের এক পার্শ্ব ছোট, বিধায় ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ভারতের স্পিনাররা বেধড়ক পিটুনি খেয়েছিল। তাই গতির উপরে নির্ভর করতে চায় টিম ম্যানেজমেন্ট।

এখন দেখার বিষয়, কেমন পরিবর্তন আসে একাদশে। এবং বাংলাদেশ কি পারবে টুর্নামেন্টে টিকে থাকতে? সব প্রশ্নের জবাব মিলবে কয়েক ঘন্টা পর।