বাংলাদেশের জন্য লক্ষ্য ৩২২



সেমিফাইনালে যেতে হলে জিততেই হবে। এমন পরিসংখ্যান দুই দলের সামনেই। সমান তিন পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলে অবস্থান করা বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের যেই দল জিতবে সেই দল উঠে যাবে পাঁচ নম্বর অবস্থানে।

ছোট মাঠ, ওয়েস্ট ইন্ডিজের পাওয়ার হিটার – সব কিছু মাথায় রেখে টনটনে টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন মাশরাফি বিন মুর্তজা।

তার সিদ্ধান্ত যে ভুল ছিল না, এই প্রমাণ মেলে চতুর্থ ওভারেই। ১৩ বল খেলা গেইলকে শূন্য রানে ফেরান সাইফুদ্দিন। চার ওভারে তখন উইন্ডিজের সংগ্ৰহ ছয় রান। তিন নম্বরে নামা শাই হোপকে নিয়ে ইনিংস মেরামতের কাজ করেন এভিন লুইজ।

বাংলাদেশের বিপক্ষে শাই হোপ অদম্য। এই প্রমাণ মিলছে আজকেও। আজকের ম্যাচের আগে বাংলাদেশের বিপক্ষে ৯৪ এভারেজ হোপের।

তবে আজকে সাবধানী শুরু করা হোপের বিপরীতে রানের চাকা সচল রাখেন লুইজ। তুলে নেন ক্যারিয়ারের তৃতীয় অর্ধশতক। সাকিবের বলে আউট হওয়ার আগে ৬৭ বলে ৭০ রান করেন এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান।

লুইজের পরিবর্তে নাম আরেক বাঁহাতি ব্যাটসম্যান নিকোলাস পুরান নেমেই রানের গতি থামতে দেননি। ৩০ বলে ২৫ রান করা পুরান ফেরেন সাকিবের বলেই।

এরপরই দৃশ্যপটে আবির্ভাব শিমরণ হিটমেয়ারের। পাল্টা আক্রমণে বাংলাদেশের বোলিং লাইন আপকে দিশেহারা করে তোলেন। ২৫ বলে করেন ৫০। তবে ৫০ করেই নিয়েছেন বিদায়।

বিপজ্জনক হয়ে ওঠা হিটমেয়ারকে ফেরান মোস্তাফিজুর রহমান। একই ওভারে মোস্তাফিজের বলে আউট হয়ে শূন্য রানে ফেরেন ডেঞ্জারাস আন্দ্রে রাসেল।

এরপর ১৫ বলে ৩৩ রানের ক্যামিও খেলে সাইফুদ্দিনের বলে আউট হন জেসন হোল্ডার। সেঞ্চুরি থেকে চার রান দূরে শাই হোপকে ফেরান মোস্তাফিজ।

শেষে নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্ৰহ ৩২১ রান। জিততে হলে বাংলাদেশকে করতে হন ৩২২।