স্ত্রী আয়েশাকে ডিভোর্স দিচ্ছেন শিখর ধাওয়ান!




নয় বছরের বৈবাহিক সম্পর্ক ছেদ করে স্ত্রী আয়েশা মুখার্জিকে ডিভোর্স দিয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের অন্যতম তারকা ব্যাটসম্যান শিখর ধাওয়ান।  ধাওয়ানের স্ত্রী আয়েশা নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে এই তথ্য জানান।

এর আগেও বিচ্ছেদ হয়েছিল আয়েশার।  প্রথম স্বামীকেও ডিভোর্স দিয়েছিলেন তিনি। তাঁদের দুই কন্যাসন্তান ছিল। এরপর ২০০৯ সালে শিখর এবং আয়েশার বাগদান হয়েছিল। তার তিন বছর পর তাঁদের বিয়ে হয়।

আয়েশা লিখেছেন, ‘আমার মনে হয়েছিল বিচ্ছেদ একটা খুব খারাপ শব্দ। আমার দ্বিতীয় বার বিয়ে ভেঙে যাওয়ার পর আর তা মনে হয় না। প্রথম বার বিয়ে ভাঙার সময় আমি খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। আমার মনে হয়েছিল আমি বোধ হয় কিছু ভুল করে ফেলেছি। নিজেকে স্বার্থপর মনে হয়েছিল। মনে হয়েছিল বাবা-মায়ের সম্মান নষ্ট করছি। বিচ্ছেদ এতটাই খারাপ শব্দ বলে মনে হত তখন।’

আয়েশা নিজের মুখেই স্বীকার করেছেন দ্বিতীয়বার ডিভোর্স হওয়ার পর তাঁর ঠিক কেমন অনুভব হচ্ছে। তিনি আরো লেখেন, ‘দ্বিতীয় বার এই ভয় আরো বেড়ে গিয়েছিল। মনে হচ্ছিল, দ্বিতীয়বারও আমি পারলাম না। বিয়ে, সম্পর্ক আমার কাছে এসবের মানে কী?’

যদিও আয়েশা এবং শিখর এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও মন্তব্য করেননি কিংবা বিবৃতি দেননি। ইতিপূর্বে শোনা গিয়েছিল আয়েশা এবং শিখর একে অপরকে ইনস্টাগ্রামে আনফলো করেছিলেন। দুজনের সম্পর্ক নিয়ে এর আগে গোলমাল শোনা যায়নি কখনই। শিখরের সঙ্গে দেশে এবং বিদেশে বহু সফরে গিয়েছিলেন আয়েশা। সুখী দম্পতি হিসেবেই তাদের জানতেন সকলে।

আরও পড়ুন : টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলবেন না তামিম

আইপিএল ২০২১ টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় ভাগ শুরু হতে আর কয়েকদিনই হাতে বাকি রয়েছে। তার আগে ভারতীয় ক্রিকেট দলের সিনিয়র ওপেনার শিখর ধাওয়ান এবং তাঁর স্ত্রী আয়েশা আট বছরের বৈবাহিক সম্পর্কে ইতি টানলেন।

এই দম্পতির এক পুত্রসন্তান রয়েছে। ২০১৪ সালে জোরাভর ধাওয়ান নামে এক পুত্রসন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন আয়েশা। ইতোপূর্বে বহু সাক্ষাৎকারে শিখর স্বীকার করেছিলেন বিয়ের পর আয়েশা কীভাবে তাঁর গোটা জীবনটাই একেবারে বদলে দিয়েছিল।