মাদকবিরোধী অভিযানে টেকনাফে নিহত ৩


crossfire

মাদকবিরোধী অভিযানে কক্সবাজারের টেকনাফে এক রাতে পুলিশ ও বিজিবির সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছেন।

শনিবার রাত দেড়টা থেকে রোববার ভোর ৪টার মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা দুটি ঘটে ।

নিহতদের মধ্যে মাদক মামলার দুই আসামি রয়েছেন, যাদের গ্রেপ্তার করার পর সঙ্গে নিয়ে মাদক উদ্ধার অভিযনে বেরিয়েছিল পুলিশ। নিহত অন্যজন একজন রোহিঙ্গা নারী।

এ বিষয়ে টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ বলেন, উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের মৌলভীবাজার এলাকায় মাদক চোরাকারবারিদের সঙ্গে পুলিশের গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। সেখানে নিহত দুজন হলেন- হ্নীলা ইউনিয়নের আলী আকবর পাড়ার মিয়া হোসেনের ছেলে মাহামুদুর রহমান (২৮) এবং হোয়াইক্যং ইউনিয়নের নয়াপাড়ার নুরুল ইসলামের ছেলে মোহাম্মদ আফছার (২৫)।

পুলিশ বলছে, তারা দুজনই ওই এলাকার ‘চিহ্নিত মাদক চোরাকারবারি’ এবং তাদের বিরুদ্ধে হত্যা, মাদক পাচারের অন্তত চারটি করে মামলা রয়েছে টেকনাফ থানায়। এসব মামলায় তারা দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন।

কথিত বন্দুকযুদ্ধের অন্য ঘটনাটি ঘটে হ্নীলা ইউনিয়নের দমদমিয়া এলাকায় নাফ নদী সংলগ্ন ওমর খালে। সেখানে নিহত হন রুমানা আক্তার (২০) নামের একজন রোহিঙ্গা নারী। তিনি টেকনাফের অনিবন্ধিত লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বদরুল ইসলামের স্ত্রী।

বিজিবির টেকনাফ ২ ব্যাটালিয়ানের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর শরীফুল ইসলাম জমাদার বলেন, ভোর রাতে একদল রোহিঙ্গা মিয়ানমারের দিক থেকে নৌকায় করে অনুপ্রবেশের সময় বিজিবির টহল সদস্যরা থামার সংকেত দেয়। এ সময় কিছু বুঝে ওঠার আগেই তারা বিজিবি সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে থাকে। বিজিবির সদস্যরাও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। এক পর্যায়ে রোহিঙ্গারা বিভিন্ন দিকে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে এক নারীকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়।

টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ওই নারীকে মৃত ঘোষণা করেন বলে জানান মেজর শরীফুল।