আন্ডারডগের চেয়েও বেশি কিছু!


paperslife

১৯৯৯ সালে প্রথম বিশ্বকাপ, এরপর পেরিয়েছে ২০ বছর। নিজেদের ষষ্ঠ বিশ্বকাপে এবার ব্যতিক্রম বাংলাদেশ লড়বে নতুন প্রত্যয়ে, বিজয়ী হতে।

গেল বিশ্বকাপগুলোতে জায়ান্ট কিলার হিসেবেই মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ। ধারাবাহিক সাফল্য না পেলেও মাঝে মাঝেই বড় দলগুলোকে হারিয়ে চমকে দিতো টিম টাইগার্স।

এবার সে ভাবনায় ছেদ পড়েছে। চমকে দিতে নয়, বিশ্বকে নতুন করে রাঙাতে বিশ্ব মঞ্চে টাইগাররা। ফেভারিট তকমা না দিলেও, বাংলাদেশকে আন্ডারডগ মানছেন অনেকেই। অনেকের কাছে আবার আন্ডারডগের চেয়েও এগিয়ে বাংলাদেশ।

ভারতীয় ক্রিকেট দলের জাতীয় কোচ তাই বাংলাদেশকে এগিয়ে রাখছেন। তিনি মনে করেন, দশ দলের এবারের বিশ্বকাপটা হতে যাচ্ছে খুব বেশি চ্যালেঞ্জিং।

বিশ্বকাপে খেলতে ইংল্যান্ডের উদ্দেশে দেশ ছাড়ার আগে সংবাদ সম্মেলনে ভারতের কোচের মুখে ফুটেছে বাংলাদেশ দলের প্রশংসা।

এবারের বিশ্বকাপ অনেক বেশি কঠিন হন বলে মনে করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘ভীষণ চ্যালেঞ্জিং হবে। ২০১৪ থেকে ২০১৯-এ তাকালেই বুঝতে পারবেন। দলগুলোর মাঝে ব্যবধান কমে এসেছে। বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের কথাই ধরুন, ২০১৪ সালে তারা কোথায় ছিল আর আজ কোথায়—তাই খুব কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতাই হবে।’

এর আগে, বিশ্বকাপের দলগুলো নিয়ে বিশ্লেষণধর্মী এক অনুষ্ঠানে ভারতীয় ধারাভাষ্যকার আকাশ চোপড়া বাংলাদেশকে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালিস্ট হিসেবে দেখছেন।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ২০ মে পর্যন্ত ওয়ানডেতে ম্যাচ জয়ে বাংলাদেশ তৃতীয়। দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ডের মতো দলের অবস্থান বাংলাদেশের পরে। বাংলাদেশ এ সময় ২৭ ম্যাচে ১৭ জয় তুলে নিয়েছে।

তাই বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ভালো করবে, এই প্রত্যাশা ক্রিকেটপ্রেমী ভক্তদের।