বাংলাদেশকে নিয়ে ডুবতে চেয়েছিল আফগানিস্তান। তবে সাকিব আল হাসানের ভার বহন করতে না পারায় নিজেদের একাই ডুবতে হয়েছে। আফগানিস্তানের এমন চাওয়ার বিপরীতে জবাব দিয়েছেন বাংলাদেশের পেসার রুবেল হোসেন।
আফগানিস্তান ক্রিকেট দলের ঔদ্ধত্যের সাথে বাংলাদেশের পরিচয় বেশ পুরোনো। ২০১৪ সালের এশিয়া কাপে দুই দলের প্রথম দেখায় জিতেছিল আফগানিস্তান।
এরপর থেকেই উড়তে থাকে ক্রিকেটের নবীন সদস্যরা। কেননা পরের বছর বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই বাংলাদেশকে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছিল তারা। অবশ্য এরপরের পার্থক্যটা চোখের সামনেই ফুটে উঠেছিল।
এরপর যতবারই বাংলাদেশের মুখোমুখি হয়েছিল আফগানিস্তান, কোনোবারই সম্মানটুকু দেয় নি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের ক্রিকেটাররা।
গত এশিয়া কাপের গ্রূপপর্বে বাংলাদেশকে হারিয়েছিল তারা। সুপার ফোরে জয়ের কাছে যেয়েও জিততে পারেনি।
তাই বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলতে নেমে জয়ের আশা করে দলটি।
গতকালের ম্যাচের আগে তো মোহাম্মদ নবী বলেই দিয়েছিলেন, ‘বাংলাদেশকে হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই।’ যেন ছোট দল বাংলাদেশকে হালকাভাবে দেখলে অঘটন ঘটিয়ে ফেলতে পারে।
৫-৬ বছর আগে বড়দলগুলো এভাবেই বাংলাদেশকে সমীহ করত। তাই বলে আফগানিস্তান?
সে যাই হোক, আফগান অধিনায়ক গুলবাদিন নাইব বলেছিলেন বাংলাদেশকে নিয়ে ডুববেন। সেমিফাইনালের স্বপ্ন দেখা বাংলাদেশকে হারিয়ে কোনো ম্যাচ না জেতা আফগানিস্তান ভেঙে দিবে বাংলাদেশের স্বপ্ন। এমন ইচ্ছেটাই ছিল তাদের।
তবে সেসব হয় নি। সাকিবের অতিমানবীয় পারফরম্যান্সে ৬২ রানে জিতে সেমির আশা টিকিয়ে রেখেছে বাংলাদেশ।
গুলবাদিন নাইবের প্রেস কনফারেন্সে সেই কথার সমালোচনা হয়েছে বেশ। সামাজিক মাধ্যমগুলোতে এর বিপক্ষে নেতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়েছে।
বাংলাদেশের ম্যাচ জয়ের পর হাস্যরসে পরিণত হয়েছে আফগান অধিনায়কের এরূপ শিশুসুলভ আচরণ।
অন্যান্যদের মত জবাব দিয়েছেন রুবেল হোসেনও। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের এই পেসার ছিলেন না গতকালের ম্যাচে। তাতে কি? বাংলাদেশের জয়ের অংশ হয়ে নাইবকে প্রাপ্য জবাব ফিরিয়ে দিয়েছেন।
নিজের ভেরিফাইড টুইটার একাউন্ট থেকে এক টুইট করেন তিনি। টুইটে বলেন, ‘দুঃখিত গুলবাদিন নাইব। আমরা তোমাদের সাথে এমন ভ্রমণে আগ্রহী নই।’
বাংলাদেশকে নিয়ে ডুবতে চাওয়ার বিপরীতে এভাবেই নিজের মনোভাব ব্যক্ত করেন ২০১৫ বিশ্বকাপের নায়ক।


