বাংলাদেশের কাছে আরো একবার অসহায় আত্মসমর্পণ করলো জিম্বাবুয়ে। একমাত্র টেস্ট ও তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের পর এবার টি-টোয়েন্টি সিরিজেও হোয়াইটওয়াশ সফরকারীরা।
পুরো সিরিজে স্বাগতিকদের কাছে নাস্তানাবুদ হওয়া জিম্বাবুয়ে সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে হেরেছে নয় উইকেটের বিশাল ব্যবধানে।
বুধবার মিরপুরের শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে ১১৯ রান সংগ্রহ করে জিম্বাবুয়ে।
১২০ রানের লক্ষ্যে লিটন দাশের অপরাজিত হাফসেঞ্চুরিতে ২৫ বল আর ৯ উইকেট হাতে রেখেই জয়ের সীমানায় পৌঁছে যায় মাহমুদউল্লাহর দল।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমেই বিপাকে পড়ে যায় সফরকারী জিম্বাবুয়ে। দলীয় ১২ রানে ওপেনার টিনাশে কামুনহুকামুয়ের উইকেট তুলে নেন আল-আমিন হোসেন।
এরপর ক্রেগ আরভিনকে সঙ্গে নিয়ে দ্বিতীয় উইকেটে ৫৭ রানের জুটি গড়েন ওপেনার ব্রেন্ডন টেলর। ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠা এ জুটি ভাঙেন আফিফ হোসেন। ৩৩ বলে ৩টি চারে ২৯ রান করা আরভিনকে আউট করেন আফিফ।
মেহেদি হাসান, আল-আমিন মুস্তাফিজদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে যেমন রানের গতি বাড়ে নি, তেমনি নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে জিম্বাবুয়ে।
তবে ব্যতিক্রম ছিলেন টেইলর। ওপেনিংয়ে নেমে তুলে নেন টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ হাফসেঞ্চুরি। শেষ পর্যন্ত তিনি ৪৭ বলে ৬টি চার ও এক ছক্কায় ৫৮ রানে অপরাজিত থাকেন।
সর্বোচ্চ দুটি করে উইকেট পান মুস্তাফিজ ও আল-আমিন। আর একটি করে উইকেট করে নেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, মেহেদী হাসান ও আফিফ।
১২০ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে দলীয় ৭৭ রান তোলেন লিটন দাশ ও নাঈম শেখ। ছন্দে থাকা নাঈম ১১তম ওভারে ক্রিস এমপোফুর বলে বিদায় নেন। ৩৪ বলে ৫টি চারে ৩৩ করে টিনাশে কামুনহুকামউইকে ক্যাচ দেন।
এরপরই টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের চতুর্থ হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পুরো সিরিজ জুড়ে ছন্দে থাকা লিটন। শেষ পর্যন্ত ৪৫ বলে ৮ চারে ৬০ রানে অপরাজিত থাকেন এই ডান হাতি। ১৬ বলে ২ ছক্কায় হার না মানা ২০ করে জয় সহজ করে দেন ওয়ান ডাউনে নামা সৌম্য সরকার।
এর আগে সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৪৮ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছিল শন উইলিয়ামসের দল।

