চার বছর আগে বাংলাদেশ বন বিভাগ ও আইইউসিএনের উদ্যোগে দিনাজপুরের বীরগঞ্জে জাতীয় উদ্যান সিংড়া ফরেস্টে চালু করা হয় শকুন উদ্ধার ও পরিচর্যা কেন্দ্র। গত বছর ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, নীলফামারী, গাইবান্ধাসহ বিভিন্ন স্থান থেকে ১২টি শকুন উদ্ধার করে রাখা হয় সেখানে।
প্রায় ছয় মাস থাকার পর মুক্ত হয়েছে বিরল প্রজাতির ১২টি শকুন। গত রবিবার শকুনগুলোকে প্রকৃতিতে ছেড়ে দেওয়া হলেও বেশিদূরে যাচ্ছে না পাখিগুলো।
ঠাকুরগাঁও বনবিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (রেঞ্জার) হরিপদ দেবনাথ জানান, গত শীত মৌসুমে নেপালসহ অন্যদেশ থেকে আসা ১১টি শকুনকে অসুস্থ অবস্থায় বিভিন্ন স্থান থেকে উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া আগের বছর পাওয়া একটি শকুনও রয়েছে। তাদের পরিচর্যা কেন্দ্রে রেখে সুস্থ করে অবমুক্ত করা হয়।
পরিচর্যা কেন্দ্রের কর্মী বেলাল হোসেন জানান, মুক্ত হলেও তাকে ছেড়ে যাচ্ছে না অভুক্ত পাখিগুলো। দিনমজুর হয়ে এ পাখিদের খাবারের জোগান দেওয়া তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে বলে জানান তিনি।
ঠাকুরগাঁও জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আলতাফ হোসেন বলেন, প্রাণীর মরদেহ খেয়ে শকুন জীবনধারণ করে। কিন্তু বৈশ্বিক রীতির পরিবর্তনে এ প্রাণীগুলো খাদ্য সংকটে পড়েছে।

