রেকর্ড বইয়ে থাকা ক্রিকেটের সাত অদ্ভুত রেকর্ড


bdnews24 bangla newspaper, bangladesh news 24, bangla newspaper prothom alo, bd news live, indian bangla newspaper, bd news live today, bbc bangla news, bangla breaking news 24, prosenjit bangla movie, jeeter bangla movie, songsar bangla movie, bengali full movie, bengali movies 2019, messi vs ronaldo, lionel messi stats, messi goals, messi net worth, messi height

বলা হয়, রেকর্ডের খেলা ক্রিকেট। যে খেলার প্রতিটি বলে রেকর্ড ভাঙে, রেকর্ড গড়ে। সব রেকর্ডের মাঝে এমন কিছু রেকর্ড আছে, যা বিস্ময়ের জন্ম দেয়। এমন কিছু অদ্ভুত রেকর্ড নিয়ে পেপার’স লাইফের আজকের আয়োজন।

চলুন, দেখে নেওয়া যাক, এমন সাতটি রেকর্ড :

সতেরো বলের ওভার :

ক্রিকেটে এক ওভারে ওয়াইড, নো-বল ছাড়া বৈধ বলের সংখ্যা হচ্ছে ছয়। পাকিস্তানের পেসার মোহাম্মদ সামি বাংলাদেশের সাথে এক ওয়ানডে ম্যাচে করে বসলেন ১৭ বলের এক ওভার। ৭ ওয়াইড এবং ৪ নো বলের সে দীর্ঘ ওভারে রান দিয়েছিলেন ২২।

ছয় ঘন্টার মধ্যেই শেষ টেস্ট ম্যাচ :

তিন দিনের মধ্যে টেস্ট ম্যাচ শেষ হয়ে যাবার নজীর অহরহ আছে ক্রিকেটে।  ভারত – শ্রীলঙ্কার এক সিরিজে তো ৩ টেস্ট মিলিয়ে খেলাই হয়েছিলো ১১ দিন।

কিন্তু মাত্র ৬ ঘন্টার মধ্যে টেস্ট ম্যাচ শেষ হয়ে যাওয়ার এক বিরল রেকর্ডও আছে ক্রিকেটে! খেলা হয়েছিল অস্ট্রেলিয়া এবং সাউথ আফ্রিকার মধ্যে মেলবোর্নে ১৯৩২ সালে। সিরিজের পঞ্চম টেস্টের প্রথম ইনিংসে সাউথ আফ্রিকা অলআউট হয়ে যায় মাত্র ৩৬ রানে। জবাবে অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংসে অল আউট হয় ১৫৩ রানে।

২য় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে সাউথ আফ্রিকা মাত্র ৩১.৩ ওভার খেলে আবারো ৪৫ রানে অল-আউট হয়ে বসে। অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ জিতে নেয় ইনিংস এবং ৭২ রানে। তিন ইনিংস মিলিয়ে খেলা হয়েছিলো মাত্র ১০৮ ওভার।

এক ইনিংসেই অতিরিক্ত ৭৬ রান : 

ক্রিকেটের অনেক অদ্ভুত রেকর্ডের ভাগীদার পাকিস্তান দল, সেটি ব্যাক্তিগত বা দলগত দুই ক্ষেত্রেই। ভারতের সাথে ডিসেম্বর ২০০৭ এর এক টেস্টে তারা এক ইনিংসেই অতিরিক্ত দিয়ে বসে ৭৬ রান! তার মধ্যে ছিলো ৩৫ বাই-রান, ২৬ লেগ-বাই আর ১৫ টি নো-বল!

ওয়ান ডেতে রানআউট ছাড়াই ডায়মন্ড ডাক :

কোন বল না খেলেই আউট হয়ে যাওয়াকে ক্রিকেটের ভাষায় ‘ডায়মন্ড ডাক’ বলা হয়ে থাকে। ওয়ানডেতে অনেকেই এখন পর্যন্ত এর স্বীকার হয়েছেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা গেছে রান আউটের কারনেই এই ডায়মন্ড ডাক।

তবে ওয়ান ডেতে এমন দুইজন খেলোয়াড় আছেন যারা রান আউট না হয়েই ডায়মন্ড ডাকের রেকর্ডের ভাগীদার। এ দুজন হচ্ছেন ভারতের ভুবনেশ্বর কুমার এবং কানাডার হেনরি ওশিন্দে।

ভুবনেশ্বর ২০১৪ সালের এশিয়া কাপে কোন বল না খেলেই একটা ওয়াইড বলে কুমার সাঙ্গাকারার হাতে স্টাম্পিং হয়ে যান। ওশিন্দেও একই ঘটনার স্বীকার হন ২০০৯ সালে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচে।

টেস্ট ক্রিকেটের সবচেয়ে ধীরগতির ফিফটি :

ধৈর্যের খেলা টেস্ট ক্রিকেটে একটা ফিফটির জন্য সর্বোচ্চ কত বলা খেলা যায়? ইংল্যান্ডের অল-রাউন্ডার ট্রেভর বেইলি পরিচিত ছিলেন তাঁর ধীরগতির ব্যাটিং এর জন্যে।

ব্রিসবেনে ১৯৫৮ সালে অস্ট্রেলিয়ার সাথে প্রথম টেস্টে তিনি ফিফটি করতে খেলে বসেন ৩৫০ বল! ক্রিজে ছিলেন প্রায় ৩৫৭ মিনিট! অবশ্য তাঁর এই ধৈর্য্যও যথেষ্ট হয়নি ইংল্যান্ডের ম্যাচ বাঁচানোর জন্য।

আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বেশি ডাক ;

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে টেস্ট এবং ওয়ান ডেতে সবচেয়ে বেশি উইকেটের মালিক মুত্তিয়া মুরালিধরনের আছে একটা বিব্রতকর রেকর্ডও। ৪৯৫ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে ৩২৮ ইনিংসে ব্যাট করে তিনিই সবচেয়ে বেশি ৫৯ বার ডাকের স্বীকার।

৫৪ ডাক নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছেন আরেক ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান লিজেন্ড কোর্টনি ওয়ালশ।

সবচেয়ে খরুচে ডাক :

ক্রিকেটে অনেক ধরনের ডাক আছে – গোল্ডেন ডাক, ডায়মন্ড ডাক, পেয়ার। তবে সবচেয়ে খরুচে ডাক’টা মনে হয় নিউজিল্যান্ডের জিওফ এলটের। ১৯৯৯ সালে সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে এক টেস্টে তিনি ৭৭ বল খেলে কোন রান না করে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান।