গত এক দশকের যুক্তরাজ্যে বহুল জনপ্রিয় গানগুলোর একটি তালিকা প্রকাশ করেছে বিবিসি। যে সব গান, শ্রোতাদের প্লে লিস্টে-রেডিও টু, ইউকে টিভি ও বিভিন্ন মিডিয়া বেশি বেজেছে সেসব গান। সেগুলো হলো :
হ্যাপি
ফ্যারেল ইলিয়মসন এ গান গেয়েছেন ‘ডেসপিকেবল মি’ ছবির জন্য। আর এটিই ইংল্যান্ডের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া গান, সবচেয়ে বেশি শোনা গান। যুক্তরাজ্যে রেডিও টুতে সবচেয়ে বেশিবার বাজানো গানও এটি।
রোলিং ইন দ্য ডিপ
অ্যাডেলের গাওয়া এ গান তাকে দ্বিতীয়বারের মতো ব্রিট পুরস্কার এনে দেয়, সেই সঙ্গে তিন-তিনটি গ্র্যামি। এ গান দিয়ে পান বছরের সেরা মিউজিক ভিডিওর তকমাও।
সেক্স অন দ্য ফায়ার
কিংস অব লিওনের এ গান কেবল ইউটিউবে দেখা হয়েছে ৩৫ কোটিবারের বেশি। দীর্ঘদিন এ গান যুক্তরাজ্যে শীর্ষে ছিল। এ গান দিয়েই ব্যান্ডটি জিতেছে তাদের প্রথম গ্র্যামি।
কান্ট স্টপ দ্য ফিলিং
জাস্টিন টিম্বারলেকের গাওয়া এ গান ২০১৬ সালে অ্যানিমেশন ছবি ‘ট্রলস’-এ ব্যবহৃত হয়। এটি জয় করে নেয় ভিজ্যুয়াল মিডিয়ার জন্য বানানো সেরা গানের গ্র্যামি।
মুভস লাইক জ্যাগার
২০১০ সালে মেরুন ফাইভের এ গান নানা রেকর্ড ভেঙে রীতিমতো ইতিহাস সৃষ্টি করে। আর ২০১৯ সালে রোলিং স্টোন ব্যান্ডের স্যার মাইক জ্যাগার তার হার্টের অপারেশনের পর বাড়ি ফিরে এ গানে নেচে ভিডিও দিয়ে দীর্ঘদিন পর জনসমক্ষে আসেন। আর প্রমাণ করেন, তিনি এখনো তার ‘সিগনেচার স্টেপে’ নাচতে ভোলেননি।
গেট লাকি
ডাফট পাংকের এ গান ২০১৩ সালে বিশ্বের ৩২টি দেশের টপ চার্টে স্থান করে নেয়। টানা ৬৯ দিন এটি যুক্তরাজ্যের টপ চার্টে থেকে রেকর্ড করে।
ফরগেট ইউ
মার্কিন গায়ক সিলো গ্রিনের গাওয়া এটিও একটি গ্র্যামিজয়ী গান। নয় বছরে ইউটিউবে এ গান দেখা হয়েছে ৪৮ কোটিবারের বেশি।
কাউন্টিং স্টারস
২০১৩ সালে মুক্তির পর মার্কিন পপ রক ব্যান্ড ওয়ান রিপাবলিকের এ গান রীতিমতো আলোড়ন ফেলে দেয়। সাত বছরে ইউটিউবে এ গান দেখা হয়েছে ২৯ কোটিবারের চেয়েও বেশি।
আপটাউন ফাংক
মার্ক রনসনের গাওয়া এ গান গত দশকের সবচেয়ে বেশি বিক্রীত গানের তালিকায় দ্বিতীয় হয়েছে। ইউটিউবে এটি দেখা হয়েছে ৩৮ কোটিবারের বেশি। ব্রিটিশ-মার্কিন এ গায়ককে গানটি এনে দিয়েছে ব্রিট অ্যাওয়ার্ড।
আই গট্টা ফিলিং
মার্কিন গান ও নাচের দল ‘ব্ল্যাক আইড পিয়ার্স’-এর এ গান ইউটিউবে দেখা হয়েছে ৪৫ কোটিবারের বেশি।

