করোনা প্রতিরোধে যেসব ভ্যাকসিন কার্যকর হতে পারে!


শীঘ্রই আসছে করোনার ভ্যাকসিন

গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়ে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। এর সারা বিশ্বে তাণ্ডব চালানো এ ভাইরাসের প্রতিষেধক এখন পর্যন্ত আবিষ্কার হয়নি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ১৩টি ভ্যাকসিন মানবদেহে পরীক্ষা করা হচ্ছে এবং আরও ১২০টি ভ্যাকসিন উন্নয়নের প্রাথমিক ধাপে রয়েছে।

ছয়টি ভ্যাকসিন নিয়ে মানবদেহে পরীক্ষা চালানো হচ্ছে। অন্যদিকে জার্মান কোম্পানি কিউরভ্যাক বলছে, তাদের তৈরি ভ্যাকসিনের প্রথম ফলাফল এ বছরের সেপ্টেম্বর বা অক্টোবরে জানা যেতে পারে।

যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন এবং যুক্তরাষ্ট্রের মডার্নার তৈরি দুটি ভ্যাকিসন এখন পর্যন্ত ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ আলোচনায় রয়েছে। গত শুক্রবার তাদের ভ্যাকসিনের ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা পর্যায়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, ভ্যাকসিন পরীক্ষার তৃতীয় ধাপে রয়েছে অ্যাস্ট্রাজেনেকা ও মডার্না।

ইসরায়েল ইনস্টিটিউট ফর বায়োলজিক্যাল রিসার্চ সেন্টার দাবি করেছে, তারা ইঁদুরের ওপর করোনা ভাইরাস ভ্যাকসিনের সফল পরীক্ষা করেছে।

এছাড়া, চায়না ডেইলি ডটকমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশটির ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল বায়োলজির একটি কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন চীনে মানবপরীক্ষার দ্বিতীয় ধাপে প্রবেশ করেছে। তারা কোভিড-১৯ এর জন্য একটি নিষ্ক্রিয় ভাইরাসের ভ্যাকসিনের প্রথম পর্বের পরীক্ষা চালিয়ে সফল হওয়ার দাবি করেছেন। ভ্যাকসিনটির দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষায় মানবদেহে এর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নিরূপণ ও নিরাপত্তার বিষয়টি পর্যালোচনা করা হবে।

নিউইয়র্ক টাইমস ভ্যাকসিনের সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে তৈরি ভ্যাকসিন ট্র্যাকার অনুযায়ী নতুন করে মস্কোর গামেলা রিসার্চ ইনস্টিটিউট ও জার্মানির কিউরভ্যাক প্রথম ধাপের পরীক্ষা শুরু করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন ছাড়াও ভ্যাকসিন তৈরির পথে রয়েছে জাপান। দেশটির জৈবপ্রযুক্তি উদ্যোগ অ্যানজিসের নেতৃত্বে গবেষকদের একটি দল আগামী বছরের মার্চের মধ্যে করোনার ভ্যাকসিনের ১০ লাখ ডোজ উৎপাদনক্ষমতা প্রস্তুত করবে। দেশটির জনগণকে দ্রুত ভ্যাকসিন সুবিধা নিশ্চিত করতে প্রকৃত পরিকল্পনার চেয়ে পাঁচ গুণ বেশি উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর কথা বলেছে প্রতিষ্ঠানটি।