দীর্ঘদিন অসুস্থতায় ভুগে বুধবার বার্বাডোসে নিজ বাড়িতে শেষ নিঃস্বাস ত্যাগ করেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ কিংবদন্তি ক্রিকেটার স্যার এভারটন উইকস।মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৫ বছর।
ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে। গত বছরের জুনে হার্ট অ্যাটাকের পর থেকেই অসুস্থতায় ভুগছিলেন উইকস।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিখ্যাত ‘থ্রি ডব্লিউজ’ এর শেষ জীবিত সদস্য ছিলেন উইকস। অন্য দু’জন স্যার ক্লাইড ওয়ালকট ও স্যার ফ্রাঙ্ক ওরেল না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন অনেক আগেই।
এই ত্রয়ী ১৯৪৮ সালের শুরুর দিকে তিন সপ্তাহের মধ্যে টেস্ট অভিষেক করেছিলেন। ক্রিকেটের অনেক রেকর্ড গড়ে নিজেদের অনন্য জায়গায় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এই ত্রয়ী।
এই ত্রয়ীর মধ্যে কে সেরা ব্যাটসম্যান ছিলেন তা নিয়ে অনেক আলোচনা হতে পারে। তবে টানা পাঁচ ম্যাচে টেস্ট সেঞ্চুরি করার রেকর্ডটি উইকসের দখলে। এখনও যা বহাল আছে। ১৯৪৮ সালে গড়া এই রেকর্ড এখনও ভাঙতে পারেনি কোন ব্যাটসম্যান।
অবশ্য টানা ছয় ম্যাচে সেঞ্চুরির রেকর্ডটিও হলেও হতে পারতো তার। ষষ্ঠ ম্যাচে আম্পায়ারের ভুল সিদ্ধান্তের কারণে তাকে প্যাভিলিয়ান ফিরতে হয়েছিল ৯০ রানের ইনিংসের আক্ষেপ নিয়ে।
বার্বাডোজের ব্রিজটাউনের থ্রি ডব্লিউ ওভালে সমাহিত আছেন ওরেল ও ওয়ালকট। সেখানেই হতে পারে উইকসের শেষ ঠিকানা। তবে এখনও উইকসের পরিবারের ইচ্ছে জানা যায়নি। তবে ওভালে দুই সতীর্থের পাশে একটি জায়গা খালি আছে তার জন্য।
তিন ছেলে ও এক মেয়ে সন্তানের জন উইকসের পথ অনুসরণ করেছেন তার এক ছেলে। তার ছেলে ডেভিড মারি ১৯৭৮ সাল থেকে ১৯৮২ পর্যন্ত ১৯ টি টেস্ট খেলেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের জার্সিতে।

