মধু খেলে মাথা ঝিম ঝিম করে? কারণ…


honey

পাস্তুরিত না হওয়ায় কাঁচা মধুতে গ্রায়ানোটক্সিন বলে এক ধরনের বিষাক্ত উপাদান থাকে। উপাদানটি প্রাণঘাতী নয়, তবে এর প্রভাবে মাথা ঝিম-ঝিম, রক্তের নিম্নচাপ এবং স্নায়বিক বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই চাকভাঙা মধুর স্বাদ পেতে আগ্রহীদের কাঁচা মধু খাওয়ার ক্ষেত্রে সর্তক থাকাই ভালো। বিশেষ করে শিশুদের কখনোই কাঁচা মধু না খাওয়ানোই উচিৎ।

পৃথিবীতে খাবারের যেনো শেষ নেই। তবে এক এক ধরনের খাবার খাওয়ার পদ্ধতি এক এক রকম। অনেক খাবার রান্না করলে পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায়। তাই ওই খাবারগুলো কাঁচা খাওয়াটাই স্বাস্থ্যকর। আবার কিছু খাবার কাঁচা খেলে স্বাস্থ্যের নানা ধরনের ক্ষতি থাকতে পারে। উদাহরণ : অ্যাসিডিটি, বদহজম, পেট খারাপসহ বিভিন্ন ধরনের সমস্যা।

নিত্যদিনের খাবারের মধ্যে কাঁচা মধুর মতোই নিচে উল্লেখিত এসব খাবার খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর-

কাঁচা দুধ : পাস্তুরিত ছাড়া দুধ খাওয়া ঠিক নয়। পাস্তুরায়ন প্রক্রিয়ায় মূলত দুধকে ১৫ সেকেন্ডেরও কম সময় ধরে ১৬১ ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রায় নিয়ে তারপর দ্রুত ঠাণ্ডা করে ফেলা হয়। ফলে কাঁচা দুধে স্যালমোনেলা, ই. কোলি, লিস্টিরিয়া ইত্যাদি যেসব ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া থাকে, তার সবই মারা পড়ে।

স্প্রাউট : সুস্বাদু ও পুষ্টিকর খাবার হিসেবে স্প্রাউটের জুড়ি নেই। কিন্তু কাঁচা অবস্থায় স্প্রাউট হচ্ছে স্যালমোনেলা, ই. কোলি, লিস্টিরিয়া ইত্যাদি ব্যাকটেরিয়ার আড্ডাখানা। তাই বাজার থেকে স্প্রাউট কিনে খুব ভালো করে ধুয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। আর ছোট শিশু, অন্তঃসত্ত্বা নারী, বয়স্ক লোকজন এবং যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল, তাদের জন্য স্প্রাউট এড়িয়ে চলাই ভালো।

বিভিন্ন সবজি : ফুলকপি, ব্রোকলি, বাঁধাকপি জাতীয় সবজিতে সহজে হজম হয় না। তাই এগুলো কাঁচা খেয়ে হজম করা সবার পক্ষে সম্ভব না। ফলে সালাদ করে বা সরাসরি এ ধরনের সবজি না খেয়ে রান্না করে খান।

লাল কিডনি বিন : শিমের বিচি ধরনের এ খাবারগুলো আপনার রোজকার খাবার তালিকায় পুষ্টির মাত্রাটা অনেকটা বাড়িয়ে দেয়। তবে কাঁচা কিডনি বিন খেলে মাথাঘোরা, বমি এমনকি ডায়রিয়া পর্যন্ত হতে পারে। তাই লাল কিডনি বিন কমপক্ষে ৫ ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে নতুন করে পানি নিয়ে আধা ঘণ্টামতো বিনগুলো সিদ্ধ করুন।