আজ বুধবার (১১ মার্চ) দিল্লির হিংসাত্মক পরিস্থিতির জন্য অরবিন্দ কেজরিওয়াল বহিরাগতদেরই দায়ী করলেন। সেইসাথে পরিস্থি্তি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেনা নামানোর কথা জানালেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী। এসময় তিনি বলেন, ‘সাধারণ মানুষ হিংসা চায় না। হিংসায় সকলেরই ক্ষতি।
এছাড়াও, দিল্লি হিংসায় নিহত হেড কনস্টেবল রতনলালের মৃত্যুতে দুঃখ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। মৃতের পরিবারকে ১ কোটি টাকা আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করেন তিনি।
একইসঙ্গে তার পরিবারের এক সদস্যকে চাকরি দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল। মঙ্গলবার তিনি রতনলালের বাড়িতেও গিয়েছিলেন। এদিন দিল্লি হিংসা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল বলেন, ‘ এই পরিস্থিতির জন্য বহিরাগতরাই দায়ী। দিল্লির মানুষ হিংসা চায় না। দিল্লির এই পরিস্থিতি ‘আম আদমি’ সৃষ্টি করেনি। কয়েকজন দুষ্কৃতী হিংসা ছড়াচ্ছে ৷ হেড কনস্টেবল রতনলালের বলিদান ব্যর্থ হবে না। হিংসায় সকলেরই ক্ষতি। দিল্লিবাসী হিন্দু-মুসলমানরা হিংসায় দুই ধর্মের মানুষেরই মৃত্যু ৷ মানুষের মৃত্যুতে আধুনিক দিল্লি হবে না ৷ হিংসার রাজনীতি বরদাস্ত নয়।
CAA বিরোধী ও সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে উত্তর-পূর্ব দিল্লিতে সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। একইসঙ্গে আহত ২০০-এরও বেশি ৷ গুরুতর আহত অবস্থায় আরও অনেকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বুধবার নতুন করে ব্রহ্মপুরী-মুস্তাফাবাদে অশান্তির খবর জানা যায়। চলে পাথর বৃষ্টি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে চারটি এলাকায় কার্ফু জারি রয়েছে। দেখা মাত্র পুলিশকে গুলি করারও নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মঙ্গলবার রাতে সীলমপুর এলাকা ঘুরে দেখেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। এসময় তিনি পুলিশের বৈঠক করেন।

