বছরের প্রথম সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে চলতি মাসের ২১ জুন। সেদিন দেখা যাবে, বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ। বাংলাদেশ থেকে আংশিক সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে বলে জানা গেছে।
আকাশেই তৈরি হবে ‘রিং অব ফায়ার’। সর্বোচ্চ সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে ভারতের যোশীমঠ শহর থেকে।
২১ জুন সকাল ৯টা ৪৬ মিনিট ৬ সেকেন্ডে সূর্যগ্রহণ শুরু হবে কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের ইম্পফোন্ডো শহরে। কেন্দ্রীয় গ্রহণ শুরু হবে কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের বোমা শহরে বেলা ১০টা ৪৮ মিনিট ৩০ সেকেন্ডে।
সর্বোচ্চ গ্রহণ হবে ওইদিন ভারতের যোশীমঠ শহরে বেলা ১২টা ৪০ মিনিট ৬ সেকেন্ডে। কেন্দ্রীয় গ্রহণ শেষ হবে ফিলিপিন্সের সামার শহরে বেলা ২টা ৩১ মিনিট ৪২ সেকেন্ডে এবং গ্রহণ শেষ হবে ফিলিপিন্সের মিন্দানাও শহরে বেলা ৩টা ৩৪ মিনিটে।
এই গ্রহণ ঢাকা বিভাগে বেলা ১১টা ২৩ মিনিট ৩ সেকেন্ডে শুরু হয়ে ২টা ৫২ মিনিট ৩ সেকেন্ডে শেষ হবে, ময়মনসিংহে ১১টা ২৩ মিনিট ২ সেকেন্ডে শুরু হয়ে ২টা ৫১ মিনিট ২ সেকেন্ডে শেষ হবে, চট্টগ্রামে ১১টা ২৮ মিনিট ১২ সেকেন্ডে শুরু হয়ে ২টা ৫৫ মিনিট ১৩ সেকেন্ডে শেষ হবে, সিলেটে ১১টা ২৭ মিনিট ৪৭ সেকেন্ডে শুরু হয়ে ২টা ৫৪ মিনিট ৫২ সেকেন্ডে শেষ হবে, খুলনায় ১১টা ২০ মিনিট ১৯ সেকেন্ডে শুরু হয়ে ২টা ৫০ মিনিট ৯ সেকেন্ডে শেষ হবে, বরিশালে ১১টা ২৩ মিনিট ৫ সেকেন্ডে শুরু হয়ে ২টা ৫২ মিনিট ১ সেকেন্ডে শেষ হবে, রাজশাহীতে ১১টা ১৭ মিনিট ১৪ সেকেন্ডে শুরু হয়ে ২টা ৪৭ মিনিট ৫৫ সেকেন্ডে শেষ হবে এবং রংপুরে বেলা ১১টা ১৭ মিনিট ৫৯ সেকেন্ডে শুরু হয়ে ২টা ৪৮ মিনিট ৩৩ সেকেন্ডে শেষ হবে।
খালি চোখে এই সূর্যগ্রহণ দেখতে নিষেধ করেছেন নাসার বিজ্ঞানীরা। এমনকী সানগ্লাস বা এক্স-রে প্লেটও ব্যবহার না করা ভাল বলে জানিয়েছেন তারা। টেলিস্কোপের সাহায্যে দেখার ক্ষেত্রেও সাবধনতা অবলম্বন করতে বলেছে। পরিবর্তে পিনহোল প্রজেক্টর দিয়ে সাদা কাপড়ে ছায়া ফেলে গ্রহণ দেখতে বলেছেন বিজ্ঞানীরা। এছাড়া গ্রহণ দেখার জন্য আই প্রোটেকশন গিয়ারও ব্যবহার করা যেতে পারে।
এবারের সূর্যগ্রহণের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সতর্কতা নিতে বলার পেছনে কারণও রয়েছে। এই সূর্যগ্রহণ আংশিক নয়। এমনকী পূর্ণগ্রাসও নয়। ২১ জুন যে সূর্যগ্রহণ হবে, তা বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ।
এক্ষেত্রে চাঁদ সূর্যকে ঢেকে ফেলবে। কিন্তু চাঁদের আয়তন ছোট হওয়ার সূর্য চাঁদের পাশ দিয়ে আলো বিকিরণ করবে। ফলে আকাশে আংটির মতো আকৃতি তৈরি হবে। ইংরেজিতে যাকে বলে ‘রিং অব ফায়ার’।
এটি খালি চোখে দেখলে চোখ খারাপ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তো থাকেই, এমনকী অন্ধত্ব আসার বিচিত্র নয়।

