করোনাভাইরাসের মাঝেই ‘বুবোনিক প্লেগ’ রোগ নিয়ে আতঙ্কে দিন কাটছে চীনের। নতুন এই ভাইরাসটি মহামারী আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন দেশটির বিজ্ঞানীরা।
শনিবার বায়ান্নুর শহরের উড়াদ মিডল ব্যানারের একটি হাসপাতালে প্রথম সন্দেহভাজন বুবোনিক প্লেগ হওয়ার খবর পাওয়া যায়।
বিবিসি জানিয়েছে, অভ্যন্তরীণ মঙ্গোলিয়া স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের একটি শহরে বুবোনিক প্লেগের একটি ঘটনা নিশ্চিত হওয়ার পর চীন কর্তৃপক্ষ সতর্কতা বাড়িয়েছে।
রাষ্ট্রীয় প্রতিবেদন অনুসারে, বায়ান্নুর রোগী একজন পশুপালক। তাকে পৃথক রাখা হয়েছে এবং তিনি স্থিতিশীল অবস্থায় আছেন।
তিন স্তরের সর্তকর্তা জারি করে প্লেগ বহন করতে পারে এমন প্রাণীদের শিকার ও খাওয়া জনসাধারণকে নিষেধ করা হয়েছে।
চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম পিপলস ডেইলি অনলাইনে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২০ সালের শেষ পর্যন্ত এই নির্দেশনা জারি থাকবে।
এদিকে চীনের অন্য রাষ্ট্রীয় সংবাদসংস্থা সিনহুয়ার প্রতিবেদন অনুসারে, পশ্চিম মঙ্গোলিয়ার খোভদ প্রদেশে সম্প্রতি দুই সম্ভাব্য বুবোনিক প্লেগ রোগীর সন্ধান পাওয়া গেছে। তাদের টেস্টে রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে।
আক্রান্তদের মধ্যে একজনের বয়স ২৭ বছর এবং অন্য জনের বয়স ১৭ বছর। তারা সম্পর্কে দুই ভাই।
ওই প্রদেশেরই দুটি আলাদা হাসপাতালে দুজনের চিকিৎসা চলছে। তাদের সংস্পর্শে আশা আরও ১৪৬ জনকে চিহ্নিত করে আইসোলেট করা হয়েছে। হাসপাতালে তাদের চিকিৎসা চলছে।
চীন থেকে উৎপত্তি প্রকোপে বিপর্যস্ত বিশ্ব। এরমধ্যেই দেশটিতে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা ঘটেছে।
বুবোনিক প্লেগ একটি ভয়াবহ ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগ। সঠিক সময়ে চিকিৎসা না হলে মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কোনো প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির এতে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

