করোনা আক্রান্তের তথ্য গোপন করায় নোয়াখালীতে প্রাইম নামের একটি বেসরকারি হাসপাতালকে লকডাউন ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন।
সেইসাথে প্রতিষ্ঠানটি সম্পূর্ণ খালি করে জীবানুমুক্ত করে সকল চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো মোমিনুর রহমান বলেন, নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা ইতালি প্রবাসী মোরশেদ আলম (৪৫) করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর আগে প্রাইম হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছিলেন।
চিকিৎসা নেওয়ার বিষয়টি প্রাইম কৃর্তপক্ষ গোপন করায় ও জনগণের সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে হসপিটালটি লকডাউন ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন।
তিনি আরও জানান, ইতালি প্রবাসী মোরশেদ আলম গত ৫ এপ্রিল প্রাইম হাসপাতালের ৫০৪ নং কক্ষে চিকিৎসাধীন ছিলেন। পরবর্তীতে গত ৮ এপ্রিল তাকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল এবং ৯ এপ্রিল সকালে ঢাকা নেওয়ার পথে ওই প্রবাসীর মৃত্যু হয়।
পরে ঢাকার কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল থেকে মৃতের শরীরের নমুনা সংগ্রহ করে আইইডিসিআরে পাঠানো হয়। গত শনিবার পরীক্ষায় ওই প্রবাসীর করোনা পজেটিভ আসে।

