এবার চীনে এসির হাওয়ায় করোনায় আক্রান্ত হলেন একই পরিবারের ৯ জন।
জানা যায়, গত ২৪ জানুয়ারি চীনের গুয়াংঝু শহরের এক এসি রেস্তোরাঁয় খেতে গিয়েছিলেন এক পরিবারের নয় জন সদস্য। রেস্তোরাঁয় উপস্থিত ছিলেন এক সংক্রামিত ব্যক্তি, যদিও তার কোনও উপসর্গ ছিল না।
এক সপ্তাহের মধ্যে ওই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে দেখা দিয়েছিল সংক্রমণ। অথচ তাঁদের আশপাশের টেবিলে বসা গ্রাহকরা সংক্রমণ থেকে রক্ষা পেয়েছেন।
এ বিষয়ে ইমার্জিং ইনফেকশস ডিজিজ জার্নাল ও সিডিসি গবেষকদের ততচ্ত্বের ভিত্তিতে তৈরি রেখাচিত্রে এসি-র মাধ্যমে করোনা সংক্রমণের তত্ত্ব ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
তদন্তে জানা গিয়েছে, একই এসি ডাক্টের দুই প্রান্তে বসেছিলেন সংক্রামিত ব্যক্তি ও আক্রান্ত পরিবারের সদস্যরা। এসময় হাওয়ার স্রোত বেয়ে আক্রান্তের শরীর থেকে জীবাণু ছড়ায় নয় জনের টেবিলে। যার ফলে তাঁরা সকলেই সংক্রামিত হন।
এর থেকে বোঝা গিয়েছে, করোনাভাইরাস হাওয়ার গতিবেগে ভর করে ছড়িয়ে পড়ে। এ ক্ষেত্রে এসি ডাক্টের হাওয়া সরলরেখা বরাবর বয়ে চলায় সরাসরি সংক্রমণ ঘটেছে নয় গ্রাহকের শরীরে। কিন্তু হাওয়ার গতিপথের বাইরে থাকা গ্রাহকদের কাছে জীবাণু পৌঁছয়নি বলে তাঁরা রক্ষা পেয়েছেন।
চীনের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল-এর (সিডিসি) বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, করোনাভাইরাস বাতাসবাহিত নয়, জলকণা বাহিত জীবাণু।
তাই ঠান্ডা হাওয়ার মধ্যে থাকা জলকণা বেয়ে সোজাপথে তা সংক্রামমিত ব্যক্তির থেকে আক্রান্তদের কাছে পৌঁছেছিল। বাতাসবাহিত হলে, তার দ্বারা রেস্তোরাঁর অন্যান্য গ্রাহক-কর্মীরাও সংক্রামিত হতেন।

