করোনা সংকটেও অবিশ্বাস্য অবদান রাখছেন পেরুর অর্থমন্ত্রী!


bdnews24 bangla newspaper, bangladesh news 24, bangla newspaper prothom alo, bd news live, indian bangla newspaper, bd news live today, bbc bangla news, bangla breaking news 24, prosenjit bangla movie, jeeter bangla movie, songsar bangla movie, bengali full movie, bengali movies 2019, messi vs ronaldo, lionel messi stats, messi goals, messi net worth, messi height

করোনাকালেও নিজ দেশের অর্থনীতিকে বাঁচাতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন ৩৫ বছর বয়সী এক নারী। যিনি পেরুর অর্থমন্ত্রী মারিয়া আন্তোনিয়েতা আলভা।

আদরের নাম টোনি। বাচ্চারা তার সাথে সেলফি তোলেন, ফুটপাতের হকাররা ভালোবেসে তাঁর হাতে ব্রেসলেট তুলে দেন। শিল্পীরা ওঁর ছবি আঁকেন ও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন।

টিভি চ্যানেলগুলো সাক্ষাৎকার পেতে দৌড় লাগায়। তাঁকে নিয়ে প্রায় প্রোফাইল স্টোরি করা হয়। এই হচ্ছে তাঁর জনপ্রিয়তার সামান্য উদাহরণ।

এই মহামারীর সময় এখন নানা অর্থনৈতিক প্যাকেজ দিয়ে বাঁচাতে চাইছেন দেশের অর্থনীতিকে ও ছোট ব্যবসায়ীদের। আর তাঁর এই পদক্ষেপে দারুণ খুশি ছোট ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী থেকে আমজনতা। গত বছরের অক্টোবরে পেরুর অর্থমন্ত্রীর দায়িত্বে এসেছেন।

হার্ভার্ডের অর্থনীতির অধ্যাপক রিকার্ডো হসম্যান, যিনি আবার টোনিরও অধ্যাপক বটে এবং পেরু-সহ ১০টি দেশের অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবনের দায়িত্বে, তাঁর কথায়,

‘টোনি না থাকলে আপনারা একেবারেই অন্য ধরনের ফলাফল দেখতেন।’ পেরুর প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী কার্লোস অলিভার কথায়, ‘টোনির কমিউনিকেশন স্কিল অত্যন্ত ভালো। যা বর্তমান অবস্থায় খুব প্রয়োজন ও সহায়ক হয়েছে।’

তবে টোনির জন্য কাজটা একেবারেই সহজ নয়। কারণ কয়েক জন অর্থনীতিবিদ ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন, পেরুর জিডিপি ১০ শতাংশেরও বেশি হ্রাস পাবে। এবং বেকার হবেন লক্ষ লক্ষ মানুষ।

বিরোধী দলের জনকল্যাণমূলক ঘোষণার সঙ্গেও তাঁকে লড়াই করতে হবে, বিশেষত নির্বাচন যখন আর মাত্র এক বছর বাকি। টোনি প্রথমেই নিশ্চিত করেন, আঞ্চলিক ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ যাতে বেশি খরচ করেন। তাতে পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট বাড়ে বিপুল পরিমাণে।

লাভ হয় সরকারি পরিকাঠামোর। তিনি চেয়েছিলেন, স্বাস্থ্য-শিক্ষা-পরিকাঠামোর করুণ দশার উন্নতি ঘটাতে এবং দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে। পেরুর বর্তমান আর্থিক বৃদ্ধির হার ২.২ শতাংশ।

তবে সমালোচকরা বলেন টোনির বাবা প্রভাবশালী হওয়ায় সে জন্যই তিনি মন্ত্রিত্ব পেয়েছেন। তবে সে সবকে পাত্তা দেন না তিনি। সেই সময় বলেছিলেন, ‘আমি পুরুষ হলে আমার যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠত না।’

মারিয়া আন্তোনিয়েতা হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে স্নাতকোত্তর করেন ও তার পর প্রায় ৫ বছর সরকারের ‘পাবলিক প্ল্যানিং ও এক্সপেন্ডিচার’ শাখায় কাজ করেন, এর মধ্যে ৫২০০ কোটি ডলারের জাতীয় বাজেটের কাজও রয়েছে।

টোনি এই মহামারীর সময়ে সরকারি লোন থেকে শুরু করে, সাধারণ মানুষের রিলিফ প্যাকেজ যে ভাবে দিয়েছেন, তাতে কৃতজ্ঞ দেশের সকলেই।