চুরিতে এগিয়ে কামরাঙ্গীরচর, পিছিয়ে গুলশান


চুরিতে এগিয়ে কামরাঙ্গীরচর, পিছিয়ে গুলশান


রাজধানী ঢাকায় সবচেয়ে বেশি চুরি হয় কামরাঙ্গীরচর এলাকায়। তবে সেই তুলনায় পিছিয়ে গুলশান, বারিধারাসহ অভিজাত এলাকাগুলো। অন্যান্য এলাকার তুলনায় এই এলাকাগুলোর চুরির ঘটনা বেশ কম।

এছাড়া রাজধানীর নিউমার্কেট, হাজারীবাগ, ধানমন্ডি, গুলিস্তান, যাত্রাবাড়ী, ফার্মগেট, মোহাম্মদপুর, মিরপুরসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় অফিস, দোকান, রাস্তাঘাটে চুরির পাশাপাশি বাসাবাড়িতেও চুরি হচ্ছে।

এ ধরনের চুরির ঘটনা থেকে বাদ নেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের বাসস্থানও। এ অবস্থায় চুরির ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ নিতে বেশ তৎপর পুলিশ। এরই মধ্যে অনেক চোর ও চোর চক্রের সদস্যকে গ্রেফতারও করেছে তারা।

চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৯ মাসেই রাজধানীতে এক হাজার ৮১৬টি চুরির ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে গত সেপ্টেম্বরেই ২৩৬টি চুরির মামলা হয়। এর আগে ২০১৮ সালে এক হাজার ৯০৩টি, ২০১৯ সালে দুই হাজার ২১১টি, ২০২০ সালে এক হাজার ৮৭৫টি এবং ২০২১ সালে এক হাজার ৯৮৬টি চুরির ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশে ব্রুনাইয়ের সুলতানকে লাল গালিচা সংবর্ধনা

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) দেওয়া তথ্যমতে, রাজধানীতে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৯ মাসেই এক হাজার ৮১৬টি চুরির ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে গত সেপ্টেম্বরেই ২৩৬টি চুরির মামলা হয়। এর আগে ২০১৮ সালে এক হাজার ৯০৩টি, ২০১৯ সালে দুই হাজার ২১১টি, ২০২০ সালে এক হাজার ৮৭৫টি এবং ২০২১ সালে এক হাজার ৯৮৬টি চুরির ঘটনা ঘটে। এসব চুরির মধ্যে এক হাজার ৮১০টি গাড়ি চুরির ঘটনা রয়েছে।

এদিকে, রাজধানীজুড়ে চুরির ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় বিশেষ অভিযান চালাচ্ছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট। এরই মধ্যে বেশকিছু অভিযান চালিয়ে চুরির সঙ্গে জড়িত চোর ও চোর চক্রের সদস্যদের গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এছাড়া রাজধানীতে ৪ হাজারের বেশি চোরের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। তাদের ধরার জন্য বিশেষ অভিযান চলছে।

বড় অপরাধ দমনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতার ফলে চুরির ঘটনায় তেমন গুরুত্ব দেওয়ার সুযোগ থাকে না। অনেকেই আবার ছোট ছোট চুরির বিষয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগ বা মামলা করেন না। অনেক সময় দেখা যায় এ ধরনের ঘটনায় অভিযুক্তকে কিছুটা মারধর করে ছেড়ে দেওয়া হয়।