জীবননগর উপজেলার সীমান্তবর্তী মনোহরপুর ইউনিয়নের ধোপাখালী গ্রামে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে সাপ্তাহিক হাট স্থানীয় স্কুলমাঠে স্থানান্তর করা হয়েছে।
সোমবার থেকে স্থানীয় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের স্কুল মাঠে বসেছে এ হাট। দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত চলে বেচা-কেনা। এ বাজারে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কাচা বাজার, মাছ বাজারের দোকান বসানো হয়েছে।
তবে মাছ, কাঁচা তরকারি ও মুরগীর বাজারে সাপ্তাহিক হাটে ক্রেতা-বিক্রেতার ভীড় ছিল চোখে পড়ার মতো। এ ভিড়ে কেনাকাটায় হুড়োহুড়িতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা দুষ্কর। এ জন্য সামাজিক দূরত্ব বজায় নিশ্চিত করতেই উপজেলা প্রশাসন স্কুল মাঠে বসিয়েছেন এই হাট।
নতুন হাটের ক্রেতা বিজিবি সদস্য রাসেদ জানান, এখানে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে বাজার করা যাচ্ছে।আমরা অত্যান্ত খুশি এবং এমন সিদ্ধান্ত আমরা প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানাই।
মনোহরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বলেন, উপজেলা প্রশাসন সময়োপযোগী সিন্ধান্ত নিয়েছে। কারণ সকালে এ বাজারে যে পরিমাণ মানুষের ভিড় হয় তাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় থাকে না। এই সিদ্ধান্তকে আমরা সাধুবাদ জানাই এবং সকলকে বলবো আপনারা ঘরে থাকুন প্রয়োজনে আমরা আপনাদের বাজারসহ বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী বাসায় পৌছিয়ে দেবো।
জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন ভিড় এড়াতে এবং সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে এ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তবে জনগন যদি জনসমাগম সৃষ্টি করে সেক্ষেত্রে আমরা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করতে বাধ্য হবো।
উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী হাফিজুর রহমান বলেন, সাপ্তাহিক বাজারগুলো গ্রামের যেখানে ছিল সে স্থানে জায়গা কম হওয়ায় সমস্যা হচ্ছিল। সকলের মঙ্গলের কথা চিন্তা করে এ সিন্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার সিরাজুল ইসলাম বলেন, করোনাভাইরাস প্রতিরোধ ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে অনির্দিষ্ট কালীন সময় ধোপাখালীর বক্স আকারে একমূখী হাটের ন্যায় উপজেলার ৩৫টি সাপ্তাহিক হাট খোলা জায়গায় নিরাপদ দুরত্ব বজায় রেখে বসবে।
সপ্তাহে দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত চলবে। তবে কেউ না মানলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
পেপারস লাইফ/চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

