মানবদেহে ভ্যাকসিন প্রয়োগ করছে জার্মানি


মানবদেহে ভ্যাকসিন প্রয়োগ করছে জার্মানি

মানবদেহে পরীক্ষামূলক প্রয়োগের সবুজ সঙ্কেত পেয়েছে জার্মান কোম্পানি বায়োএনটেক এবং যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ প্রস্তুতকারী জায়ান্ট প্রতিষ্ঠান ফাইজারের তৈরি করোনার একটি ভ্যাকসিন।

ইতোমধ্যে জার্মান সরকারের অনুমোদন পাওয়ায় শীঘ্রই করোনার এই ভ্যাকসিনটি মানবদেহে পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করা হবে।

জানা যায়, প্রথমে ভ্যাকসিনটির মাধ্যমে ২০০ জনের দেহে পরীক্ষা চালানো হবে। যাদের বয়স ১৮ থেকে ৫৫ বছর বয়সী এবং সুস্থ মানুষ।

বুধবার জার্মানির স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেনস স্প্যান বলেছেন, জার্মানিতে একটি ভ্যাকসিন তৈরির চেষ্টা এগিয়ে চলছে। আমরা ভ্যাকসিনটির প্রথম পরীক্ষা চালাতে পারি।

জেনস স্প্যান আরও বলেছেন, একই সময়ে একটি পরামর্শ এখানে গুরুত্বপূর্ণ যে, ভ্যাকসিনটি পুরোপুরি মানবদেহে প্রয়োগের জন্য কয়েক মাস সময়ের দরকার হবে। এ ধরনের ভ্যাকসিনের জন্য নিরাপত্তাই সবার আগে।

দ্বিতীয় ধাপে যারা এই রোগের উচ্চ ঝুঁকিতে থাকবেন তাদের শরীরে ভ্যাকসিনটির প্রয়োগ করা হবে। তবে বায়োএনটেক বলছে, ফার্মাসিউটিক্যালস জায়ান্ট ফাইজারের সঙ্গে যৌথভাবে করোনার এই ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়েছে।

ভ্যাকসিনটির নাম দেয়া হয়েছে বিএনটি১৬২। যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের অনুমতি পেলে সেখানেও এই ভ্যাকসিনের পরীক্ষা চালানো হবে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এখন পর্যন্ত বেশ কয়েকটি করোনা ভ্যাকসিন মানবদেহে পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করা হয়েছে। তবে চূড়ান্তভাবে করোনার একটি ভ্যাকসিন পাওয়ার জন্য কমপক্ষে এক বছর থেকে দড় বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

উল্লেখ্য, ব্রিটেনের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইমপেরিয়াল কলেজ লন্ডনের একদল গবেষক সিএইচএডিওএক্স১ এনকোভ-১৯ নামের একটি করোনা ভ্যাকসিন তৈরি করেছেন।

যা বৃহস্পতিবার প্রথমবারের মতো মানবদেহে পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করা হবে । করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ব্রিটিশ বিজ্ঞানীদের তৈরি এটিই প্রথম ভ্যাকসিন।

করোনার ভ্যাকসিন আবিষ্কারে এই মুহূর্তে বিশ্বের ৮০টিরও বেশি গবেষক দল কাজ করছেন। এর মধ্যে কয়েকটি ইতোমধ্যে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালও চালিয়েছে।

সূত্র: দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট