ইউরোপের প্রথম দেশে হিসেবে নিজেদের করোনামুক্তির ঘোষণা দিল মন্টিনিগ্রো। প্রথম রোগী শনাক্তের ৬৯ দিন পর এই ঘোষণা দিল দেশটি।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে খবরটি জানানো হয়েছে। বিগত টানা ২৫ দিন নতুন করে রোগী শনাক্ত না হওয়ায় এমন ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী।
বলা হচ্ছে, আগাম সতর্কতামূলক পদক্ষেপ এই মহামারির ব্যাপক সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচিয়েছে দেশটিকে। বিশ্বজুড়ে ভাইরাসটির সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার শুরুতেই সব দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সীমান্ত বন্ধ করে দেয় মন্টেনিগ্রো। এমনকি পর্যটকদের প্রবেশেও কড়া নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে সরকার।
শুরুতেই দেশটিতে করোনা পরীক্ষা, সেলফ আইসোলেশন ও আক্রান্তের সংস্পর্শে আসাদের শনাক্তের পর সঙ্গরোধ করে রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এছাড়া স্বাস্থ্যবিধিসহ অন্যান্য বিধিনিষেধ অমান্য করলে শাস্তি হিসেবে শুরু হয় মোটা অংকের জরিমানা আদায়। যা ভাইরাসটির বিস্তার রোধে ভূমিকা রেখেছে।
এরপর সংক্রমণ কমতে থাকলে ৩০ মার্চ থেকে বিধিনিষেধ শিথিল করতে শুরু করে। প্রধানমন্ত্রী দুস্কো মার্কোভিচ সংবাদ সম্মেলনে দেশকে সম্পূর্ণ করোনামুক্ত হিসেবে ঘোষণা করে বলেন, ‘মারাত্মক এই ভাইরাসের সঙ্গে লড়াইয়ে জিতে মন্টিনিগ্রো এখন ইউরোপের প্রথম ‘‘করোনামুক্ত’’ দেশে পরিণত হয়েছে।’
সরকারি হিসাব অনুযায়ী প্রাদুর্ভাব শুরুর পর আড়াই মাসে সাড়ে ছয় লাখের বেশি জনসংখ্যার এই দেশটিতে মোট ৩২৪ জনের দেহে ভাইরাসটির উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া বাকি ৩১৫ জন এখন সম্পূর্ণ সুস্থ।

