করোনা যুদ্ধে জয়ী নিউজিল্যান্ড


bdnews24 bangla newspaper, bangladesh news 24, bangla newspaper prothom alo, bd news live, indian bangla newspaper, bd news live today, bbc bangla news, bangla breaking news 24, prosenjit bangla movie, jeeter bangla movie, songsar bangla movie, bengali full movie, bengali movies 2019, messi vs ronaldo, lionel messi stats, messi goals, messi net worth, messi height
New Zealand Prime Minister Jacinda Ardern smiles during a news conference prior to the anniversary of the mosque attacks that took place the prior year in Christchurch, New Zealand, March 13, 2020. REUTERS/Martin Hunter


করোনাভাইরাসের ভয়ে যেখানে কাঁপছে গোটা বিশ্ব, সেখানে নিউজিল্যান্ড থেকে বিদায় নিয়েছে প্রাণঘাতী এ ভাইরাস। দেশটির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, কভিড-১৯ রোগের কমিউনিটি ট্রান্সমিশন বন্ধ করতে সমর্থ হয়েছে দেশটি।

দেশটির প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আর্ডান বলেছেন, তার দেশ এখনকার মতো ‘এ যুদ্ধে জিতেছে’। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে নিউজিল্যান্ডে সামাজিক মেলামেশার ক্ষেত্রে নেয়া কঠোরতম বিধিনিষেধ শিথিল করার কয়েক ঘণ্টা আগে এ খবর পাওয়া গেল।

গত কয়েকদিন ধরে নতুন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এক অঙ্কে নেমে আসে দেশটিতে। আর রবিবার নতুন করে মাত্র একজন আক্রান্ত হয়েছেন। যে কারণে তারা কার্যকরভাবে করোনাভাইরাস থেকে মুক্তি পেয়েছে। সেই সঙ্গে করোনার কারণে অধিকাংশ বিধিনিষেধ উঠিয়ে দেওয়া হবে।

মঙ্গলবার থেকে দেশটিতে অত্যাবশ্যক নয় এমন কিছু ব্যবসায়িক খাত, স্বাস্থ্যসেবা এবং শিক্ষা ব্যবস্থা চালু হবে। তবে করোভাইরাস ঠেকাতে পাওয়া সাফল্য নিয়ে ‘আত্মপ্রসাদে’ যেন কেউ না ভোগেন, সে বিষয়ে কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন।

লকডাউন তুলে নেওয়া হলেও বেশিরভাগ মানুষকেই এখনো সারাক্ষণ বাড়িতেই থাকতে হবে এবং সব ধরণের সামাজিক মেলামেশা বন্ধ রাখতে হবে।

কিভাবে এত দ্রুত করোনা থেকে মুক্তি পেল নিউজিল্যান্ড? করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু হলে নিউজিল্যান্ডে যখন মাত্র ডজনখানেক রোগী শনাক্ত হন, তখনি দেশটি স্বাভাবিক কাজকর্ম এবং ভ্রমণে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে।

দেশটির সব সীমান্ত বন্ধ করে দেয়া হয়, এবং দেশটিতে প্রবেশ করা সকল মানুষকে বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়। এছাড়া কঠোর লকডাউন আরোপ করা হয়, এবং নমুনা পরীক্ষার হার বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়া হয়। সেই সঙ্গে জোরদার করা হয় কন্ট্যাক্ট ট্রেসিংয়ের ব্যবস্থাও।

দেশটির প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আর্ডান বলেন, করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাব শুরুর পর পরই যদি দ্রুত লকডাউন না দেয়া হত, তাহলে দিনে এক হাজারের ওপর নতুন রোগী শনাক্ত হত।

সোমবার মধ্যরাত থেকে দেশটিতে লেভেল ফোর পর্যায়ের লকডাউন থেকে লেভেল থ্রিতে নামিয়ে আনা হবে। এর মানে হচ্ছে, টেকঅ্যাওয়ে সরবারহের জন্য রেস্তোরাঁ খোলা রাখাসহ বেশিরভাগ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানই কাজকর্ম শুরু করতে পারবে। কিন্তু মুখোমুখি দেখাসাক্ষাৎ হয়, এমন কোনো কর্মকাণ্ডের অনুমোদন দেয়া হবে না।

নিউজিল্যান্ডে এ পর্যন্ত করোনাভাইরাসে ১৫০০ চেয়ে কম মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন এবং ১৯ জন মারা গেছেন।

সূত্র: বিবিসি বাংলা।