আজ শুক্রবার সকাল ১০টায় আজিমপুর কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়েছে জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামানের।
এ সময় ঢাকা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে গার্ড অব অনার দেয়া হয়। রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) বৃহস্পতিবার শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন শিক্ষাবিদ ড. আনিসুজ্জামান।
নানা স্বাস্থ্য জটিলতায় আক্রান্ত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মৃত্যুর পর তার শরীর থেকে সংগৃহীত নমুনায় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পাওয়া যায়।
অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। সম্প্রতি তিনি বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। এ বিষয়ে তাঁর ছেলে আনন্দ জামান জানিয়েছেন, গত ২৭ এপ্রিল তাঁর বাবাকে চিকিৎসার জন্য ইউনিভার্সেল কার্ডিয়াক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। তাঁর উচ্চ রক্তচাপ এবং হৃৎপিণ্ড, ফুসফুস ও কিডনিতে সমস্যা ছিল। অবস্থার অবনতি হলে ৯ মে তাঁকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
গতকাল তাঁর জ্বর আসে, বুকের ব্যথাও বাড়ে। সব মিলিয়ে অবস্থা সংকটাপন্ন হয়ে ওঠে। একটি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল তাঁর চিকিৎসা করছিল।
পারিবারিক সূত্র জানায়, মৃত্যুর পর অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। তাতে তাঁর দেহে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পাওয়া যায়। যদিও এর আগে ১০ মে হাসপাতালে তাঁর করোনা পরীক্ষা করা হয়, তাতে সংক্রমণ শনাক্ত হয়নি।
রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে পৃথক বাণী দিয়েছেন। তাঁরা মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।

