মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে কমিউনিটি ক্লিনিকের স্বাস্থ্য কর্মীরা


bdnews24 bangla newspaper, bangladesh news 24, bangla newspaper prothom alo, bd news live, indian bangla newspaper, bd news live today, bbc bangla news, bangla breaking news 24, prosenjit bangla movie, jeeter bangla movie, songsar bangla movie, bengali full movie, bengali movies 2019, messi vs ronaldo, lionel messi stats, messi goals, messi net worth, messi height

সারাদেশে কমিউনিটি ক্লিনিক রয়েছে ১৩ হাজার ৬৬১টি। এ সেবা প্রতিষ্ঠানগুলোই গ্রামের অসুস্থ অসহায় মানুষের ভরসার জায়গা। সরকারি ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিনই নানা ধরনের সাধারণ রোগের চিকিৎসা, পরামর্শ ও রেফারেল বিষয়ে কাজ করছেন একজন কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি)। আর তাদের চিকিৎসা নেয় গড়ে ৩৫ থেকে ৪০ জন।আর বর্তমানে সেই সংখ্যাটা আরও বেড়েছে।

অথচ কর্মরত স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষায় একটি মাস্ক আর হ্যান্ডরাব ছাড়া কিছুই সরবরাহ করা হচ্ছে না। অনেক ক্লিনিকে তো কেবল একটি করে মাস্ক দেওয়া হয়েছে। এতে করে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকিতে রয়েছেন তারা।

একই সঙ্গে তাদের মাধ্যমে স্থানীয়দের মাঝেও সংক্রমণ ছড়াতে পারে বলে ধারণা করছে বিশেষজ্ঞরা । এ অবস্থায় সুরক্ষা সরঞ্জম (পিপিই), আধুনিক থার্মোমিটার,হেক্সিসল,হ্যান্ড সানিটাইজার, ইত্যাদি সরবরাহ জরুরি বলে জানান কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডাররা।

মাদারীপুরের কমিউনিটি ক্লিনিকের একজন স্বাস্থ্যকর্মী বলেন, ‘আমাদের এলাকায় বর্তমানে অনেক প্রবাসী বিদেশ থেকে এসেছেন। সরকার ১০ দিনের ছুটি ঘোষণার পর ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের জেলা-উপজেলার মানুষও এলাকায় ফিরেছেন।

আগে কমিউনিটি ক্লিনিকে প্রতিদিন ৩৫ থেকে ৪০জন গড়ে এলেও, এখন সেটা গিয়ে ঠেকেছে ৫০ জনে। কখনো কখনো আরও বেশি রোগী হয়।

অধিকাংশই আবার জ্বর -ঠান্ডা, সর্দি-কাশির রোগী। কে আক্রান্ত আর কে আক্রান্ত নয় এটা বোঝা যাচ্ছে না। তাই তাদের মধ্যে যদি কেউ কারোনা ভাইরাসে আক্রান্ত থাকেন, তাহলে রোগী থেকে আমাদের মধ্যে সংক্রমণ হতে পারে।

এরপর আমাদের মাধ্যমে সংক্রমিত হতে পারেন অন্যরাও। এ মুহূর্তে আমাদের জন্য পিপিই খুব দরকার। কিন্তু একটিমাত্র মাস্ক ছাড়া আর কিছুই দেওয়া হয়নি। ফলে কমিউনিটি ক্লিনিকে কর্মরত সিএইচসিপিরা ঝুঁকি নিয়েই কাজ করছি।

সিএইচসিপি কেন্দ্রীয় এডহক কমিটির আহ্বায়ক জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পর থেকে উপজেলা হাসপাতালে সেবাগ্রহীতাদের উপস্থিতি কমে গেছে। অথচ আমাদের এখানে রোগীর উপস্থিতি বেড়েছে। অধিদপ্তরের আদেশ অনুযায়ী দেশের সব কমিউনিটি ক্লিনিক সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সেবাদান করছে। আমরাও চাই দেশের ক্রান্তিলগ্নে আগের মতে সেবা দিতে। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হচ্ছে সিএইচসিপিদের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ পিপিই সরবরাহ করা হচ্ছে না। এতে হেলথ কেয়ার প্রোভাইডাররা নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অসুস্থদের সেবা করে যাচ্ছেন। যেহেতু কমিউনিটিতে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা রয়েছে, এ অবস্থায় আপাতত ক্লিনিকের সেবাদান স্থগিত করা অথবা হেলথ কেয়ার প্রোভাইডারদের সুরক্ষা পোষাক পিপিইসহ চিকিৎসা সরঞ্জাম ও সুযোগ সুবিধাসহ ঝুঁকি ভাতা দেওয়ার দাবি করছি।’