সাংবাদিক আরিফুলের বাড়িতে তদন্ত দল


bdnews24 bangla newspaper, bangladesh news 24, bangla newspaper prothom alo, bd news live, indian bangla newspaper, bd news live today, bbc bangla news, bangla breaking news 24, prosenjit bangla movie, jeeter bangla movie, songsar bangla movie, bengali full movie, bengali movies 2019, messi vs ronaldo, lionel messi stats, messi goals, messi net worth, messi height

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

বাংলা ট্রিবিউন ও ঢাকা ট্রিবিউনের কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি আরিফুল ইসলামকে শুক্রবার মধ্যরাতে (১৩ মার্চ) মোবাইল কোর্ট তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে গঠিত তদন্ত দল তার বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেছে।

অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রংপুর) আবু তাহের মো. মাসুদ রানার নেতৃত্বে দুই সদস্যের একটি তদন্ত দল শনিবার (১৪ মার্চ) সন্ধ্যা ৭টার দিকে তার বাড়িতে যায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আরিফুল ইসলামের স্ত্রী মোস্তারিমা সরদার নিতু।

নিতু বলেন, ‘আরিফুল ইসলামকে মোবাইল কোর্ট মারধর করা, তুলে নিয়ে যাওয়া, পরিকল্পিত সাজা দেওয়াসহ সব বিষয়ে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার বিভিন্ন তথ্য লিখে নেন। তিনি বাড়ির ছবিও তুলে নিয়ে গেছেন। আমাকে মোবাইল কোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে জামিন নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।’

এদিকে আরিফুল ইসলাম রিগানের শ্বশুর কুড়িগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সরদার বলেন, ‘আমাকে সহ আরিফুল ইসলামের দুই মামা লালমনিরহাট পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম ও নুর ইসলাম, মামাতো ভাই কাজলকে জেলা প্রশাসকের অফিস কক্ষে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার ঘটনার বিষয়ে জানতে চান। আমরা পুরো ঘটনাটি বলেছি এবং সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছি।’

উল্লেখ্য, শুক্রবার (১৩ মার্চ) মধ্যরাতে বাড়িতে হানা দিয়ে ধরে নিয়ে সাংবাদিক আরিফুল ইসলামকে এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন জেলা প্রশাসনের মোবাইল কোর্ট। এ সময় তার বিরুদ্ধে আধা বোতল মদ ও দেড়শ’ গ্রাম গাঁজা পাওয়া গেছে বলে অভিযোগ তোলা হয়, যদিও আরিফ ধূমপান করেন না।

আরিফের স্ত্রী জানান, মধ্যরাতে কিছু আগন্তুক তাদের বাসায় এসে দরজা ধাক্কাতে থাকেন ও দরজা খুলতে বলেন। আরিফ তাদের পরিচয় জানতে চাইলে তারা পরিচয় দেননি। এরপর আরিফ কুড়িগ্রাম থানায় যোগাযোগ করলে থানা কর্তৃপক্ষ তার বাসায় কোনও অভিযান চালানো হয়নি বলে নিশ্চিত করেন।

এরমধ্যেই আগন্তুকরা দরজা ভেঙে তার বাসায় প্রবেশ করে। তবে তারা কোনও তল্লাশি অভিযান চালায়নি। তারা বাসায় ঢুকেই কোনও কারণ না জানিয়ে আরিফকে মারতে মারতে তুলে নিয়ে যায়। এ সময় কয়েকবার গুলি করার হুমকিও দেয় আগন্তুকরা। এর এক ঘণ্টা পর থানা পুলিশ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে তাকে খুঁজে পায়।

এদিকে, তদন্ত দল চলে আসার পরপরই ওই বাড়িতে খোঁজখবর নিতে যান কুড়িগ্রাম পৌর মেয়র আবদুল জলিল। এ সময় তিনি জানান, নিয়মানুযায়ী মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে মেয়রের অনুমতির প্রয়োজন হয়। কিন্তু এক্ষেত্রে তাকে কিছু অবহিত করা হয়নি। তার জানা মতে আরিফ কোনও অনৈতিক কাজের সঙ্গে জড়িত নয় বলেন তিনি।