নারীদের জন্য স্কুটি



বর্তমান যুগে পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও কর্মক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে। এর ফলে ঘরের বাইরেও চলাফেরা করতে হচ্ছে নারীদের।

প্রতিদিন সকালে অফিস যাওয়ার তাড়াহুড়ো থাকে তাদের। কিন্তু রাস্তাঘাটে গনপরিবহনের সংকট ছাড়াও বিশৃঙ্খলা তো আছেই। সেক্ষেত্রে পুরুষরা যেমন বাইকের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে, তাদের পাশাপাশি নারীরাও নিচ্ছেন স্কুটি। এতে করে কর্মক্ষেত্রে যেতে খুব বেশি হয়রানির শিকার হতে না হয়।

তবে নারীদের এই স্কুটি কেনার আগে অবশ্যই এ সম্পর্কে কিছু অভিজ্ঞতার প্রয়োজন আছে। সেগুলো নিয়েই আজকের আয়োজন।

স্কুটি সম্বন্ধে ধারণা থাকতে হবে:

প্রধানত নারীদের জন্য স্কুটি তৈরিতে ব্যবহার হয় হালকা মেটাল। এই স্কুটি গুলোর গতি তুলনামুলক কম হয়ে থাকে। ফলে দুর্ঘটনার আশঙ্কাও কম থাকে।  তবে,  যারা প্রথমবার স্কুটি কিনছেন, তাদের মনে বিভিন্ন কৌতূহল দেখা যায়। যেমন স্কুটির ওজন, গতি বা দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে কিনা ইত্যাদি। স্কুটি চালানো বেশ সহজ। এছাড়াও,  চালকের নিরাপত্তার কথা ভেবেই স্কুটিগুলোয় ১২০ সিসির ইঞ্জিন থাকে। তাই সহজে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। বিভিন্ন সুবিধা স্কুটিতে আছে, যেমন প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র রাখার জন্য এতে আলাদা জায়গা আছে।

স্কুটির প্রকারভেদ:

বর্তমান বাজারে প্রকারভেদে বিভিন্ন ধরনের মূল্যমানের স্কুটি পাওয়া যায়। এদের মধ্যে রয়েছে, হোন্ডা অ্যাক্টিভা আই , টিভিএস স্কুটি জেস্ট, এছাড়াও বাজারে প্রতিনিয়তই নতুন স্কুটি আসছে। রাজধানীর বিভিন্ন শোরুমে রয়েছে সমাহার।

স্কুটির যত্ন:

স্কুটির যত্নে নিয়মিত ইঞ্জিন কিংবা অন্য অংশ পরিচ্ছন্ন রাখা প্রয়োজন। এছাড়াও, আর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, নিয়মিত সার্ভিসিং করাতে হবে। তাছাড়া, স্কুটিতে সমস্যা দেখা গেলে দ্রুত সারিয়ে নিতে হবে।

চলাফেরায় সাবধানতা:

প্রথমত ট্রাফিক আইন মেনে চলতে হবে। পাশাপাশি স্কুটি আরোহীদের মাথায় অবশ্যই হেলমেট থাকতে হবে। রাস্তায় বের হওয়ার আগে দেখে নিন ড্রাইভিং লাইসেন্স সঙ্গে নিয়েছেন কিনা। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে পোশাক। এমন পোশাক পরে স্কুটি চালান, যাতে বারবার সামলে নেয়ার ঝামেলা না থাকে। স্কুটির গতি ৪০ কিলোমিটারের মধ্যে থাকলে স্কুটি নিয়ন্ত্রণে থাকবে। চালানোর সময় কখনই ফোনে কথা বলা যাবে না।