বাল্য বিবাহে প্রথম গাইবান্ধা


gaibandha #paperslife

আধুনিক যুগেও দেশের অনেক জায়গায় বাল্য বিবাহের প্রচলন চোখে পড়ে। আর দেশের আইনবিরোধী এই বিবাহে গাইবান্ধা অন্যতম।

গাইবান্ধায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের আয়োজনে প্রজনন স্বাস্থ ও পুষ্টি বিষয়ে অবহিতকরন অনুষ্ঠানে এই তথ্য জানান বক্তরা।

বক্তারা বলেন, গাইবান্ধার চরাঞ্চলসহ জেলায় বাল্য বিয়ের সংখ্যা দেশের মধ্যে সর্বাধিক যা পরিবার পরিকল্পনার কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জনে বাধা হিসাবে কাজ করছে।

তারা মনে করেন এই বাধা অতিক্রম করতে সাংবাদিকসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সহায়তা প্রয়োজন।

কর্মশালায় জানানো হয়, দেশে যেভাবে বাল্য বিবাহ বেড়ে চলছে এতে মা ও শিশু মৃত্যু রোধে একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশে এখনও অপ্রাপ্ত বয়স্ক মেয়েদেরকে বিয়ে দেওয়া হচ্ছে যাদের বয়স ১৮ বছরের অনেক কম।
যার ৩১ শতাংশ ১৫ থেকে ১৯ বছর বয়সে গর্ভধারণ করে। ফলে অপরিণত শিশুর জন্ম হচ্ছে।

দেশে প্রায় ৫০ ভাগ নবজাতকের মৃত্যু হচ্ছে জন্মের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে। বছরে প্রায় এক লক্ষ বিশ হাজার শিশু জন্মের ২৮ দিনের মাথায় মৃত্যুবরণ করছে। এ পরিস্থিতি মোকাবেলায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে সবার অংশগ্রহণ জরুরি বলে সভায় মত প্রকাশ করা হয়।

গাইবান্ধা পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মতিন। কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের আই ইএম ইউনিট ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার ইসরাত জেবীন।