করোনাভাইরাস সতর্কতায় ১৫ মার্চ মধ্যরাত থেকে সব প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছে ভারত।
তবে এখন পর্যন্ত ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত খোলা রয়েছে। জানা গেছে, ১৬ মার্চ মধ্যরাত থেকে সেটিও বন্ধ করে দেওয়া হবে।
ভারতে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশই বাড়ছে। আজ রোববার ১৫ মার্চ আক্রান্তের সংখ্যা ৯৩ ছাড়িয়েছে। এদের মধ্যে অনেক বিদেশী ও রয়েছেন।
মূলত করোনা আক্রান্ত দেশ থেকে আসার ফলেই ভারতে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এছাড়াও তাদের আশঙ্কা, এক দেশ থেকে অন্য দেশে যাওয়ার ফলে মানুষের মাধ্যমে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে থাকে। সেজন্য প্রতিবেশী সমস্ত দেশের সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি।
শনিবার মন্ত্রণালয়ের তরফে জানানো হয়, ১৫ মার্চ মধ্যরাত থেকে বাংলাদেশ, নেপাল, মায়ানমার ও ভুটান সীমান্তে নাগরিক যাতাযাতের জন্য ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
তবে ভারত-নেপাল ও ভারত-ভুটান সীমান্তে শুধুমাত্র তৃতীয় দেশের ব্যক্তিদের যাতায়াতের উপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। ভারত, নেপাল ও ভুটানের নাগরিকদের যাতায়াতের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে তাদের উপর কড়া নজরদারি চালানো হবে।
করোনার উপসর্গ দেখা দিলে বা কেউ সম্প্রতি ইতালি, ইরান, চিন, স্পেন, ফ্রান্স, জার্মানি বা দক্ষিণ কোরিয়ায় গেলে তাদের কোয়ারেন্টাইন করা হতে পারে।
এছাড়াও করোনা রুখতে একাধিক বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। সীমান্ত সংলগ্ন হাটে বিদেশিরা অংশ নিতে পারবেন না। পাশাপাশি, ভারত-বাংলাদেশের বাস ও ট্রেন পরিষেবা রবিরার থেকে আগামী ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। তবে নেপাল, বাংলাদেশ, ভুটান ও মায়ানমারের সঙ্গে কয়েকটি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট খোলা রাখা হয়েছে। সেগুলিতে কড়া নজরদারি চালানোর নির্দেশ দিয়েছে সরকার।

