করোনার চিকিৎসা করা যাবে বাড়িতেই-বলছেন বিশেষজ্ঞরা


bdnews24 bangla newspaper, bangladesh news 24, bangla newspaper prothom alo, bd news live, indian bangla newspaper, bd news live today, bbc bangla news, bangla breaking news 24, prosenjit bangla movie, jeeter bangla movie, songsar bangla movie, bengali full movie, bengali movies 2019, messi vs ronaldo, lionel messi stats, messi goals, messi net worth, messi height

বর্তমান পরিস্থিতিতে করোনা আক্রান্ত হলেই যে হাসপাতালে ভর্তি থাকতে হবে তেমনটি নয় বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন যে, করোনা পজিটিভ রোগীরা তাদের প্রায় ৮০ শতাংশ চিকিৎসা বাড়িতে বসেই করতে পারেন। আর বাকি শতকরা ৫ শতাংশ রোগীর আইসোলেশনের প্রয়োজন হয়।

মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক রিদওয়ানুর রহমান বলেন, ‘চিকিৎসার ক্ষেত্রে সাধারণত কোনো ওষুধ লাগে না। শুধুমাত্র প্যারাসিটামল যদি জ্বর, সর্দি, ঠাণ্ডা লেগে থাকলে।

আর যদি খুব খারাপ পর্যায়ে হয় তাহলে অবশ্যই আইসোলেশন বা হসপিটালাইজেশন এ যেতে হবে। আর আইসোলেশন বা হসপিটালাইজেশন লাগবে শতকরা ১০ থেকে ২০ ভাগ আর না হলে সর্বোচ্চ ১৫ ভাগ।’

মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক সৈয়দ আতিকুল হক বলেন, ‘যাদের তীব্র নিউমনিয়ার সমস্যা আছে যেমন শ্বাসের গতি মিনিটে ৩০ এর বেশি। আর যাদের ব্লাড প্রেশার ৯০ বা ৬০ এর নিচে আর যাদের কোভিড-১৯ এর তীব্র হওয়ার ঝুঁকি আছে তাদের অবশ্যই সর্তক থাকতে হবে।’

সেক্ষেত্রে টেলি-মেডিসিনের পাশাপাশি আইসোলেশনের প্রস্তুতি আরো বাড়ানোর তাগিদ বিশেষজ্ঞদের।

মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক রিদওয়ানুর রহমান বলেন, ‘টেলি-মেডিসিনের মাধ্যমে চিকিৎসা নিলে তারা বলে দিবে কিভাবে ঘরে আইসোলেশন থাকবে ও কী কী ওষুধ খেতে হবে। আর বাসায় আইসোলেশন এর কোনো সুযোগ নেই কারণ বাসায় পরিবারের সব সদস্য সেইখানে উপস্থিত থাকছে। সেই জন্য অবশ্যই সেই রোগীকে আইসোলেশন এ জন্য হাসপাতালে যেতে হবে।’

মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক সৈয়দ আতিকুল হক বলেন, ‘কোভিড উনিশের এর জন্য প্রতিটি জেলায় অবশ্যই একটি করে হাসপাতাল থাকা উচিত। আর যেসব এলাকায় রোগীর সংখ্যা বাড়ছে অবশ্যই সেইসব স্থানের প্রয়োজনে বিভিন্ন স্কুল, কলেজ বা কমিউনিটি সেন্টারে হাসপাতালে পরিণত করতে হবে।’

এছাড়া মরদেহ ব্যবস্থাপনায় আলাদা টিম গঠন করা জরুরি বলে করেন তারা।

উল্লেখ্য, শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেল পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ২২ লাখ ছাড়িয়েছে। মৃতের সংখ্যা ৫৪ হাজারের বেশি। সুস্থ হয়েছেন প্রায় ৬ লাখ।

ওয়ার্ল্ড ও মিটার্সের দেয়া তথ্য অনুযায়ী বিশ্বে এই মুহূর্তে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৫ লাখ সাতাশ হাজারের বেশি। এর মধ্যে ১৪ লাখ ৭০ হাজারের মৃদু সংক্রমণ আর বাকি প্রায় ৬০ হাজারের অবস্থা গুরুতর।

দেশে আক্রান্তের সংখ্যা দু’ হাজার ছাড়িয়েছে। আর এই সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। তাই প্রশ্ন উঠছে, শনাক্ত হলেই কি যেতে হবে হাসপাতালে।