করোনার মতোই ভয়ঙ্কর ভ্রান্ত বিশ্বাস


bdnews24 bangla newspaper, bangladesh news 24, bangla newspaper prothom alo, bd news live, indian bangla newspaper, bd news live today, bbc bangla news, bangla breaking news 24, prosenjit bangla movie, jeeter bangla movie, songsar bangla movie, bengali full movie, bengali movies 2019, messi vs ronaldo, lionel messi stats, messi goals, messi net worth, messi height

খালি চোখে দেখা যায়না এমন এক অনুজীব যেন থামিয়ে দিয়েছে গোটা পৃথিবীকে।একটি অণুজীব পৃথিবীর অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ৫জিকে যেন অর্থহীন করে তুলেছে। দিশেহারা বিজ্ঞানীরা খুজছেন এর প্রতিষেধক। চিকিৎসকরা খুজছেন এই মৃত্যুর মিছিল থামানোর উপায়। এরই মধ্যে বিশ্বজুড়ে অনেক জনপ্রিয় ধর্মগুরু ও বিকল্প চিকিৎসক থেকে শুরু করে প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতারাও শরীরের প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে অপ্রমাণিত ওষুধ, পিল ও অনুশীলন গ্রহণের উৎসাহ দিচ্ছেন। করোনাভাইরাস  মোকাবেলায় গরুর প্রস্রাব, ব্লিচ ও কোকেন গ্রহণের জন্য সরব সুপারিশ চলছে বিশ্বব্যাপী।

গুজবের এ বিস্ফোরণকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ‘ইনফোডেমিক’ হিসেবে চিহ্নিত করে মানুষদের সতর্ক করেছে।এছাড়া অনেক দেশের স্বাস্থ্য ও নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো অপ্রমাণিত ওষুধ ও অনুশীলন ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে অব্যাহতভাবে কাজ করছে। বেশির ভাগ মানুষ এমন বিষয়গুলো গ্রহণ থেকে বিরত থাকছে।

তবে আশঙ্কাজনক বিষয় হলো কিছু লোক বিশ্বাস করে যে এ ধরনের বিষয়গুলো সত্যিকার অর্থেই তাদের প্রতিরোধক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে এবং করোনাভাইরাসকে প্রতিরোধ করতে পারে।

এ বিষয়ে কানাডার সিস্টার্স চেয়ার টিমোথি কুলফিল্ড বলেছেন, প্রথমত আইনিভাবেই স্বাস্থ্য সুডোসায়েন্স (ভ্রান্ত বিজ্ঞান) বন্ধ করতে হবে, বিশেষত বিশ্ববিদ্যালয় ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোতে। কারণ অনেক বিশ্ববিদ্যালয় ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান থেকে এমন সুপারিশ গ্রহণের তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। আর তারা এমনটি করলে সাধারণ মানুষও একসময় এগুলো বিশ্বাস করতে বাধ্য হবে। এজন্য বিশ্বস্ত চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানগুলো যদি একসঙ্গে যুক্ত হয়ে প্রমাণসহ এমন ভ্রান্ত বিশ্বাসগুলোর নিন্দা করে তাহলে সুডোসায়েন্স দুর্বল হয়ে যাবে। আমাদের সর্বদা প্রমাণিত বিজ্ঞান প্রয়োজন, বিশেষত বিপর্যয়ের সময় দ্বিতীয়ত ভুল তথ্যের বিরুদ্ধে সর্বজনীন লড়াইয়ে আরো গবেষকের অংশগ্রহণ করা উচিত। অপ্রমাণিত ধারণাগুলো জোর দেয়ার জন্য লোকেরা প্রকৃত বিজ্ঞানের ভাষা ব্যবহার করে। এজন্য সুডোসায়েন্সের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বিজ্ঞানীদের কার্যকর অংশগ্রহণ জরুরি।