বিদ্যুৎ নেই, শহরজুড়ে বাড়ছে জেনারেটর ও মোমবাতির হাহাকার


bdnews24 bangla newspaper, bangladesh news 24, bangla newspaper prothom alo, bd news live, indian bangla newspaper, bd news live today, bbc bangla news, bangla breaking news 24, prosenjit bangla movie, jeeter bangla movie, songsar bangla movie, bengali full movie, bengali movies 2019, messi vs ronaldo, lionel messi stats, messi goals, messi net worth, messi height

সুপার সাইক্লোন আম্পানের প্রভাব ভালমতোই বুঝেছে কলকাতার মানুষ। ৪৮ ঘণ্টা পরেও কলকাতার বহু অঞ্চলে ফেরেনি বিদ্যুৎ সংযোগ। এখন যে জিনিসের চাহিদা সব চেয়ে বেশি, তার নাম জেনারেটর আর মোমবাতি! বাড়িতে আলো-পাখা জ্বলছে না, চলছে না।

শহরের প্রায় প্রতিটি জায়গাতেই বেড়েছে মোমবাতির চাহিদা। অনেকে উচ্চমূল্য দিয়ে কিনতে চেয়েও পাচ্ছেন না।

আজাদগড়ে বিড়ি-সিগারেটের গুমটির সামনে মোমবাতির পসরা সাজিয়ে বিক্রি করছিলেন সবিতা দাস। কালীপুজো-দেওয়ালিতে যেগুলো বিক্রি হয়নি, এদিন সেই সব মোমবাতি সাজিয়ে বসেছিলেন দোকানদারের সামনে। পৌনে এক ঘণ্টাও লাগেনি সব শেষ হতে। যে প্যাকেটটার গায়ে দাম লেখা ১৮ টাকা, তার দাম দোকানি হাঁকছেন ৫০ টাকা।

জেনারেটরের চাহিদাও একই রকম। যাদবপুরে ছোট আবাসনে থাকেন ব্যাঙ্কের ম্যানেজার অপূর্ব দত্ত। এদিন সকালে পরিস্থিতি বুঝেই তিনি আবাসনের অন্যদের সঙ্গে কথা বলে জেনারেটর ভাড়া করিয়ে এনেছেন।

তাঁর কথায়, ‘বিদ্যুৎ আজও আসবে না বলে নিশ্চিত হওয়ার পর জেনারেটর ভাড়া করলাম। প্রতি পয়েন্ট পিছু পরিবার টাকা দেবে। তাতে অন্তত পাখা আর আলো তো জ্বলবে। হাতে টেনে যে জেনারেটর চালাতে হয়, স্বাভাবিক সময়ে সেগুলি ৭০০-৮০০ টাকা ভাড়া নেয়। তেল আলাদা। এখন শুধু সেই খালি জেনারেটর ভাড়া ১২০০ থেকে ১৮০০ টাকা।’

কৈখালির বাসিন্দা শতদীপা দাসের আবাসনে জেনারেটর চালু ছিল বৃহস্পতিবার ভোররাত পর্যন্ত। তার পরই তা দেহ রেখেছে। বিকল্প আলোর জন্য শতদীপা ছুটেছেন দোকানে।

বাঘাযতীনের বাসিন্দা মনোজিৎ মজুমদার হাজার টাকা দিয়ে রিচার্জেবল আলো কিনতে পেরে হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছেন। তাঁর বক্তব্য, ‘ফ্যান্সি মার্কেট, চাঁদনি চক বাজারে যাতায়াতের সুবাদে জানি, এই ধরনের চার্জের আলো ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায় পাওয়া যায়। কিন্তু এখন সে উপায় নেই। তাই বাধ্য হয়ে এত দামেই কিনতে হল।’

সুত্র: এই সময়।