করোনা মহামারীর কারণে সৃষ্ট লকডাউন পরিস্থিতি অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের চাহিদায় ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে। জ্বালানিটির বৈশ্বিক চাহিদা অপ্র্যাশিতভাবে কমে গেছে। ফলে পাল্লা দিয়ে কমেছে পণ্যটির দাম। এ সমস্যার শিগগিরই কোনো সমাধান দেখছেন না খাতসংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বিনিয়োগ ব্যাংকিং কোম্পানি র্যামন্ড জেমস সম্প্রতি এমন পূর্বাভাস দিয়ে জানিয়েছে, ২০২২ সালের আগে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের বৈশ্বিক চাহিদা ২০১৯ সালের সমপর্যায়ে আসার সম্ভাবনা ক্ষীণ।
অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের বাজার নিয়ে র্যামন্ড জেমসের সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, নভেল করোভাইরাস সংক্রমণ রোধে এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো ভ্যাকসিন বা চিকিৎসা আবিষ্কার হয়নি। ফলে মহামারী পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেবে তা এখনো অনিশ্চিত। স্বাভাবিকভাবেই জ্বালানি তেলের বাজার খুব সহসাই মহামারী থেকে প্রভাবমুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
এ পরিস্থিতিতে চলতি বছর তো বটেই, ২০২১ সাল নাগাদ জ্বালানি পণ্যটির বৈশ্বিক চাহিদায় নিম্নমুখী প্রবণতা বজায় থাকতে পারে।
প্রতিষ্ঠানটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, মাহামারীর প্রাদুর্ভাব না ঘটলে ২০২১ সালে জ্বালানি তেলের বৈশ্বিক চাহিদায় যে প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশা করা হচ্ছিল, সে তুলনায় দৈনিক গড়ে ৫০ লাখ ব্যারেল কমতির দিকে থাকতে পারে। এর পর থেকে বছরপ্রতি পণ্যটির বৈশ্বিক চাহিদা দৈনিক গড়ে ১২ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেল কমে যেতে পারে।

