করোনা পরিস্থিতিতে দীর্ঘ দুই মাস বন্ধ থাকার পর রোববার (৩১ মে) থেকে শুরু হয়েছে ট্রেন ও লঞ্চ চলাচল।
জানা যায়, রোববার সকালে চট্টগ্রাম ও সিলেট থেকে ঢাকার উদ্দেশে ট্রেন ছেড়েছে। তবে কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে সকালের দিকে কোনো ট্রেন ছেড়ে যাবে না। দুপুর ১:৩০ মিনিট নাগাদ ঢাকা থেকে রাজশাহীর উদ্দেশে ছেড়ে যাবে বনলতা এক্সপ্রেস।
আরও জানা গেছে, যাত্রীদের মধ্যে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে ট্রেনের অর্ধেক টিকেট বিক্রি করা হচ্ছে। কোনো টিকেট স্টেশনের কাউন্টারে বিক্রি করা হচ্ছে না। টেনের সব টিকেট পাওয়া যাচ্ছে অনলাইনে। তাছাড়া স্টেশনে প্রবেশের মুখে শরীরের তাপমাত্রা পরীক্ষা করা হচ্ছে যাত্রীদের।
সিলেট থেকে সকাল ৬:১৫ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে এসেছে কালনী এক্সপ্রেস। আজ যে আটটি রুটে আন্তঃনগর ট্রেন চালু হয়েছে তার বেশিরভাগই ঢাকার বাইরে থেকে ছেড়ে আসবে এবং দুপুরের পর থেকে এসব ট্রেন আবার ঢাকা থেকে ফিরে যাবে।
এছাড়াও, স্বাস্থ্যবিধি মেনে দুই মাস বন্ধ থাকার পর রোববার রাজধানীর সঙ্গে দেশের দক্ষিণ অঞ্চলের বরিশালসহ ৩৪টি জেলায় লঞ্চ চলাচল শুরু হয়েছে।
গ্রিন লাইন ওয়াটার ওয়েজ সার্ভিস সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে সকাল ৮:০০টায় ঢাকা থেকে বরিশালের উদ্দেশে ছেড়ে গেছে। এরপর সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ চাঁদপুরের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ে গ্রিন লাইনের আরেকটি ওয়াটার ওয়েজ।
এদিকে, আগামীকাল সোমবার থেকে শুরু হবে বাস চলাচল। সরকার রোববার থেকে বাস চলাচলের অনুমতি দিলেও বাস মালিকরা তা একদিন পর থেকে চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে বসে থাকা বাস মেরামত ও সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী অর্ধেক যাত্রী নিয়ে বাস চালানোর জন্য ভাড়া ৮০ শতাংশ বৃদ্ধির যে প্রস্তাব করা হয়েছে তা সুরাহা হলেই বাস সড়কে নামাতে চান বলে জানিয়েছেন বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান রমেশ চন্দ্র ঘোষ।

