করোনার সংক্রমণের মধ্যেই একদিকে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। এবার বিধ্বংসী ভূমিধসে প্রাণ গেল প্রায় ২০ জনের। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের দক্ষিণ আসামের বারাক উপত্যকা অঞ্চলে নামল ভয়াবহ ধস।
ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তিনটি জেলার বিস্তীর্ণ অংশ। কাচার জেলায় ৭ জন, হাইলাকান্ডিতে ৭ এবং করিমগঞ্জের ৬ জনকে নিয়ে মোট ২০ জনের মৃত্যুর খবর এপর্যন্ত মিলেছে। নিহতদের মধ্যে ১১ জন শিশু রয়েছে। ভয়াবহ এই ভূমিধসের সঙ্গে সঙ্গেই বিধ্বস্ত অঞ্চলে ছুটে গিয়েছে উদ্ধারকারী দল।
বিগত কয়েকদিন ধরেই ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছিল ওই এলাকায়। সেই কারণেই মূলত এই ভূমিধস। আসামের ভয়ানক বন্যার পর এখনও ঠিক করে স্বাভাবিক হতে পারেনি প্রায় ৩ লক্ষ ৭২ হাজার মানুষ।
বন্যার কারণে মৃত্যু হয়েছে ৬ জনের। প্রায় ৩৪৮ টি গ্রাম জলের তলায় ডুবে গিয়েছে। ২৭ হাজার হেক্টর কৃষিজমির শস্য নষ্ট হয়েছে । ফের আবার এই দূর্যোগ। যা রীতিমতো তছনছ করে দিল আসামকে। ঘূর্ণিঝড় আমফানের দরুনও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল আসামের পাঁচ জেলায়।
এ ঘটনায় ইতিমধ্যে আসামের মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল দ্রুত গতিতে উদ্ধারকার্যের নির্দেশ দিয়েছেন। এবং মৃত ব্যক্তির পরিবারের জন্য এককালীন অর্থ প্রদানের কথাও বলেছেন।
আসামের বন দফতরের মন্ত্রী পরিমল শুক্লাবৈদ্য নিজে ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন। এখনও পর্যন্ত ২০ জনের মৃত্যুর খবর এলেও উদ্ধারকারী দলের আশঙ্কা মাটির তলায় আরও অনেকে চাপা পড়ে রয়েছেন। মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে পারে। আসাম সরকার নিহতদের পরিবারকে ৪ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছে।
সুত্র: জি নিউজ।

