বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রন করতে হিমশিম খাচ্ছে সারা বিশ্ব। এরই মধ্যে সম্ভাব্য করোনাভাইরাস ভ্যাকসিনের ৩০ কোটি ডোজ আগেভাগেই পেতে ফরমাশ দিয়ে রাখছে ইউরোপের চার দেশ জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি ও নেদারল্যান্ডস।
বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে জানা গেছে অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি সম্ভাব্য ভ্যাকসিনটি এখনো পরীক্ষামূলক পর্যায়ে থাকলেও গতকাল শনিবার চুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জার্মানির স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
এ বিষয়ে জার্মান মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ভ্যাকসিন প্রস্তুত হওয়ামাত্রই জনসংখ্যা অনুসারে তা বণ্টন করা হবে। চলতি বছরের শেষ নাগাদ ওই ভ্যাকসিন উৎপাদন শেষ হতে পারে বলে আশা করা যাচ্ছে।এ বছরের শেষ দিকে বা আগামী বছরের শুরুতে ভ্যাকসিনের সম্ভাব্য অনুমোদন পাওয়ার পর দ্রুত তা ব্যাপক পরিমাণে উৎপাদন ও প্রস্তুত রাখতে উৎপাদন সক্ষমতার বিষয়টি চুক্তির মাধ্যমে নিশ্চিত করা প্রয়োজন ছিল।
জার্মানির স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেনস স্প্যান বলেন, ‘বিশ্বের অনেক দেশ ইতিমধ্যে ভ্যাকসিন পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে ফেলেছে। তবে ইউরোপ তা করেনি। এ সমস্যা মোকাবিলায় কয়েকটি সদস্যদেশের গ্রুপ একত্রে ব্যবস্থা নিলে বাড়তি গুরুত্ব পাবে। কমিশনের সঙ্গে একত্রে আমরা আরও দ্রুত ও শক্তিশালী হয়ে ভবিষ্যতে দর-কষাকষি চালাতে পারব।’
চুক্তির বিষয়ে ইতালির স্বাস্থ্যমন্ত্রী ফেসবুকে এক বিবৃতিতে বলেছেন, ইউরোপের মানুষের জন্য ৪০ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন পাওয়া যাবে।
বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ইউরোপের জনসংখ্যা ৪৪ কোটি ৭০ লাখের মতো। ৪০ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন পেতে কত খরচ হচ্ছে, সে বিষয় অবশ্য সামনে আনা হয়নি।
উল্লেখ্য, এখনো আবিষ্কার হয়নি করোনাভাইরাসের কোন কার্যকরি ভ্যাকসিনের। তবে পরীক্ষামূলকভাবে ভ্যাকসিন উৎপাদনে কাজ করছে অনেক দেশ।

