চীনে মিলেছে আরো ভাইরাস; ফের মহামারির শঙ্কা


bdnews24 bangla newspaper, bangladesh news 24, bangla newspaper prothom alo, bd news live, indian bangla newspaper, bd news live today, bbc bangla news, bangla breaking news 24

চীনে শূকরের নাকের শ্লেষ্মা থেকে নতুন ধরনের সোয়াইন ফ্লুর সন্ধান পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় ও রোগনিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধকেন্দ্রের বিজ্ঞানীরা।

গতকাল সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞান সাময়িকী প্রসিডিংস অব দ্য ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্সে এক নিবন্ধ প্রকাশিত হয়।

গবেষকরা জানান,  ২০০৯ সালে মহামারির প্রার্দুভাবের জন্য দায়ী এইচওয়ানএনওয়ান প্রজাতি থেকে জি–ফোর নামের এই ভাইরাস এসেছে। তাঁরা বলছেন, মানুষকে সংক্রমিত করার মতো সব বৈশিষ্ট্য এর আছে।

২০১১ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত গবেষকেরা চীনের ১০টি প্রদেশের কসাইখানা ও একটি পশু হাসপাতাল থেকে শূকরের নাকের শ্লেষ্মা সংগ্রহ করেন। সেখান থেকে ১৭৯ সোয়াইন ফ্লু ভাইরাস পাওয়া যায়। বেশির ভাগের মধ্যেই ২০১৬ সাল থেকে শূকরের মধ্যে ছড়িয়ে পড়া সোয়াইন ফ্লু ভাইরাসের নতুন ধরন পাওয়া যায়।

গবেষকেরা ভাইরাস নিয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা চালান। ফেরেট নামে পশুর ওপরও গবেষণা চালানো হয়। কারণ, ভাইরাসের সংক্রমণে এই পশুর শরীরেও মানুষের মতো উপসর্গ দেখা দেয়। এর মধ্যে রয়েছে জ্বর, কাশি, হাঁচি।

জি–ফোর অত্যন্ত সংক্রামক। মানবকোষে এর ক্ষতিকর প্রভাব রয়েছে। অন্য ভাইরাসের চেয়ে এই ভাইরাস ফেরেটের শরীরে বেশি গুরুতর উপসর্গ তৈরি করে। পরীক্ষা–নিরীক্ষায় দেখা গেছে, মৌসুমি ফ্লুতে সংক্রমিত হওয়ার পর মানুষের যে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়, তা জি–ফোর ভাইরাস থেকে রক্ষা করতে পারে না।

রক্ত পরীক্ষায় দেখা গেছে, শূকরের খামারে কাজ করা ১০ দশমিক ৪ ভাগ কর্মী এই ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন। আর ৪ দশমিক ৪ ভাগ সাধারণ মানুষ এই ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন।

গবেষকেরা বলছেন, এই ভাইরাস প্রাণী থেকে মানবশরীরে সংক্রমিত হতে পারে। এটি মানুষ থেকে মানুষে সংক্রমিত হয় কি না, এর কোনো প্রমাণ নেই। এটিই গবেষকদের ভাবনার বিষয়।