করোনাকালে জন্মনিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় এ বছর প্রায় ২ লাখ ৩৫ হাজার অতিরিক্ত শিশু জন্ম নেবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। জাতিসংঘ শিশু তহবিলও দেশে জন্মহার বাড়ার ইঙ্গিত দিয়েছে।
স্বাস্থ্যবিদ ও জনসংখ্যা বিশারদদের মতে, বাল্যবিবাহ ও ঘরে সন্তান প্রসবের সংখ্যা বাড়ায় মেয়েশিশু ও নারীদের প্রজননস্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের ওপর।
জাতিসংঘ শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) গত ৬ মে এক প্রতিবেদনে প্রক্ষেপণ করেছে, করোনার কারণে পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় পরবর্তী ৪০ সপ্তাহে ২৪ লাখ শিশুর জন্ম হতে পারে। সংস্থাটির আশঙ্কা, করোনাকালে জন্মকালীন পরিচর্যা এবং অন্তঃসত্ত্বা মা ও শিশুর জীবন রক্ষার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হবে।
জনসংখ্যাবিদ ও গবেষকেরা বলছেন, লকডাউনের শুরুতে পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচি একেবারে স্থবির হয়ে গিয়েছিল। তাতেই এই অতিরিক্ত গর্ভধারণ হতে পারে।

