করোনা সংক্রমণের মধ্যেই নকল এন ৯৫ মাস্ক সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান অপরাজিতা ইন্টারন্যাশনালের বিরুদ্ধে মামলা করেছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
তবে অভিযোগ ওঠা প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী শারমিন জাহান, পুরো ঘটনাকে ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেছেন।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে এন ৯৫-এর চারটি চালানে প্রায় ৯০ লাখ টাকার মাস্ক সরবরাহ করে অপরাজিতা ইন্টারন্যাশনাল। প্রতিষ্ঠানটি চীনের থ্রি এম কোম্পানির লোগো বসিয়ে যেসব মাস্ক সরবরাহ করেছে, সেখানে নকল মাস্ক পাওয়া গেছে।

প্রতিষ্ঠানটির স্বত্ত্বাধিকারী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিস্ট্রার শারমিন জাহান। বর্তমানে তিনি শিক্ষা ছুটিতে আছেন। এই ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির নোটিশের জবাবও দিয়েছে অপরাজিতা ইন্টারন্যাশনাল।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া নকল মাস্কের কথা স্বীকার করে জানান জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘তারা চুক্তিভঙ্গ করে যারা ডিউটি করছে তাদের লাইফ রিস্কে ফেলেছে। এটা আমাদের জন্য খুবই সিরিয়াস ব্যাপার। আমরা গতকাল থানায় কেস করেছি যারা এই সকল মাস্ক সরবরাহ করেছে তাদের বিরুদ্ধে।’
অপরাজিতা ইন্টারন্যাশনালের স্বত্তাধিকারী শারমিন জাহান দাবি করেন, জেনেশুনে কোনো নকল মাস্ক হাসপাতালে সরবরাহ করেননি তিনি। শারমিন বলেন, ‘মাস্ক রিসিভ করেছে তারা ১২ তারিখে।
১৮ তারিখে তারা আমাকে জানিয়েছে এটাতে প্রবলেম হয়েছে। তারা আমাকে এটা আবার রিটার্নও দিয়ে দিয়েছে। একটা প্রোডাক্ট রিসিভ করার পর কি হয় সেটাতো বলা যায়না, অবশ্যই আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। আমিতো ম্যানুফ্যাকচারার না, আমি তো শুধু ট্রেডিং করি। আমি তো নকল প্রোডাক্ট দেইনি।’

