করোনা পরীক্ষার দুর্নীতিতে আ.লীগ নেতারা জড়িত দেখে দুঃখ হয়: মির্জা ফখরুল


bdnews24 bangla newspaper, bangladesh news 24, bangla newspaper prothom alo, bd news live, indian bangla newspaper, bd news live today, bbc bangla news, bangla breaking news 24

দেশে করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতিতে শনাক্ত পরীক্ষায় দুর্নীতিতে আওয়ামী লীগের নেতারা জড়িত দেখে আজকে দুঃখ হয়, লজ্জা হয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি আরও বলেন, এ ছাড়া পত্রিকায় এসেছে, স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের মধ্যে এখন যুদ্ধ শুরু হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতর বলছে, আমি তো রিজেন্ট হাসপাতালকে অনুমোদন দিতাম না আমাকে যদি মন্ত্রণালয় থেকে না বলা হতো। অর্থাৎ মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে, রিজেন্ট হসপিটালকে অনুমতি দাও তারা পরীক্ষা করবে। তাহলে কে রেসপনসেবল? রিজেন্ট হাসপাতালের অনুমোদনের বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে অবিলম্বে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত।

রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর উত্তরার নিজ বাসা থেকে এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে বিএনপি মহাসচিব এসব কথা বলেন।

জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে কোভিড-১৯ রোগীদের স্বাস্থ্যসেবায় হটলাইন কল সেন্টার উদ্বোধন উপলক্ষে এই ভার্চুয়াল অনুষ্ঠান হয়।

মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে দুঃখ হয়, লজ্জা হয় যখন দেখি প্রচণ্ড দুঃসময়ের মধ্যে করোনা টেস্ট করতে গিয়ে দুর্নীতি। তার সঙ্গে জড়িত কে? আওয়ামী লীগের লোকজন । আজকে গোটা স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে ভেঙে ফেলেছে, ভঙ্গুর হয়ে গেছে। যে হারে লুটপাট করছে সবাই দেখছে। জনগণ দেখছে এই সরকারের আমলে কীভাবে দুর্নীতি ব্যাপক থেকে ব্যাপকতর হচ্ছে।

করোনা মোকাবেলায় বিএনপির দেয়া দীর্ঘ-মধ্য-স্বল্প মেয়াদী প্রণোদনা প্রস্তাবনায় সরকার সাড়া না দেয়ার কঠোর সমালোচনা করেন বিএনপি মহাসচিব। তিনি বলেন, ফলে এখন আমরা কী দেখেছি? প্রথম দিকে মানুষ যারা দিন আনে দিন খায় তারা কষ্ট করেছে, এখন তো কষ্ট আরও বেড়ে গেছে। একদিকে সব খুলে দেয়ার পরে সংক্রামিত বেড়েছে, মানুষও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ মোকাবেলায় জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের নেয়া কর্মসূচিগুলোর প্রশংসা করে মির্জা ফখরুল বলেন, একটা কথা বলে রাখতে চাই, গোটা পৃথিবীর সভ্যতা আগের অবস্থায় আর থাকবে না, পরিবর্তন হবে, হচ্ছে। আজকে রাষ্ট্র বিজ্ঞানীরা, অর্থনীতিবিদরা সবাই বলছেন, এই করোনাভাইরাসের ফলে ওয়ার্ল্ড উইল রিমেন দি সেইম। এটা বদলাবে। কী বদলাবে, কীভাবে বদলাবে সেটা আমরা সবাই জানি না। বাট পরিবর্তন হবে, পরিবর্তন হচ্ছে।

এই পরিস্থিতিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আজকে ঐক্যবদ্ধ থাকা প্রয়োজন। আমাদেরকে জনগণকে আরও বেশি ঐক্যবদ্ধ করা প্রয়োজন। এই যে একটা সরকার যারা জোর করে দখলদারি সেজে আমাদের ওপরে অত্যাচার নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। এই অবস্থা থেকে আমরা পরিত্রাণ চাই। আমরা মানুষের জীবন বাঁচাতে চাই। জনগণের জীবিকাকে আরও বিকশিত করতে চাই।

পরে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের স্বাস্থ্যসেবার কল সেন্টার ০৯৬৭৮১০২১০২ নাম্বারে ফোন করে এই কর্মসূচির উদ্বোধন ঘোষণা করেন মির্জা ফখরুল।

ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ফরহাদ হালিম ডোনারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-ড্যাবের সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি কাদের গণি চৌধুরী ও অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান।