করোনার ঝুঁকিতে কুড়িগ্রামের মানুষ, আসছে ভারতীয় গরু


bdnews24 bangla newspaper, bangladesh news 24, bangla newspaper prothom alo, bd news live, indian bangla newspaper, bd news live today, bbc bangla news, bangla breaking news 24, prosenjit bangla movie, jeeter bangla movie, songsar bangla movie, bengali full movie, bengali movies 2019, messi vs ronaldo, lionel messi stats, messi goals, messi net worth, messi height

চন্দন কুমার সরকার, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামে করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে জেলা জুড়ে ব্যাপক কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়েছে। করোনার বিস্তার রোধে ইতোমধ্যে জেলার ভুরুঙ্গামারী সোনাহাট স্থলবন্দরের কার্যক্রম আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

যাতে ভারত থেকে করোনার ভাইরাসের জীবানু বাংলাদেশে আসতে না পারে। পাশাপাশি জেলার ৯ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশের পক্ষ থেকে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রচার-প্রচারণার পাশাপাশি বাজার মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে।

তবে জেলার সীমান্তগুলোতে ভিন্ন চিত্র দেখা যায়। প্রায় প্রতিদিন জেলার বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে রাতের আঁধারে শতশত ভারতীয় গরু কুড়িগ্রামে ঢুকছে। এসব ভারতীয় গরু বিট খাটাল হয়ে পৌছে যাচ্ছে জেলার বিভিন্ন হাটে।

দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত গরু ব্যবসায়ীরা কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারী, ফুলবাড়ি, রাজীবপুর ও রৌমারীসহ সীমান্ত এলাকাগুলোতে গরু কিনতে জমায়েত হচ্ছেন।

এতে গরু পাচারকারীদের মাধ্যমে ভারত থেকে করোনার ভাইরাস জেলার বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। অপর দিকে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা গরু ব্যবসায়ীদের মাধ্যমেও করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন অনেকে।

নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক কজন প্রতক্ষ্যদর্শী জানান, “প্রশাসন তো জানেই যে পাচারকারীদের মাধ্যমে করোনা ভাইরাস জেলা জুড়ে ছড়িয়ে পড়তে পারে, গরু আসা বন্ধে কেন কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না তা বোধগম্য নয়।”

করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত জেলার সীমান্তগুলোতে নজরদারি বৃদ্ধির পাশাপাশি গরু আসা একেবারেই বন্ধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরী বলে মনে করছেন অনেকে।

এ বিষয়ে মঙ্গলবার(২৪ মার্চ) কয়েকটি উপজেলার প্রশাসনের কর্মকর্তার সাথে কথা বলে জানা যায়, করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে সকলকে সচেতন করার জন্য কাজ করা হচ্ছে। তবে সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় গরু আসা বন্ধ করার বিষয়ে কোনরূপ নির্দেশনা পাওয়া যায়নি। নির্দেশনা পেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেবে প্রশাসন।

ইতিমধ্যে কুড়িগ্রামের বিভিন্ন খামারগুলোতে যেসব ভারতীয় গরু রয়েছে,সেগুলো পরিচর্যা বা করোনার ঝুঁকি এড়াতে কোন ধরণের পদক্ষেপ নিতে দেখা যাচ্ছে না স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মীদের ।

এ ব্যাপারে কুড়িগ্রামের নব নিযুক্ত জেলা প্রশাসক মো: রেজাউল করিম বলেন,”আমরা গতকাল(২৪ মার্চ)গনবিজ্ঞপ্তি জারি করে,নির্দেশনা দিয়েছি,আজ থেকে সেনাবাহিনীর সদস্যরা আমাদের সহযোগিতা করছেন। কেউ নির্দেশনা অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা আমরা গ্রহন করবো।”