চিকিৎসক-নার্সসহ স্বাস্থ্যকর্মীদের অসম্মান করলে কঠিন সাজা


bdnews24 bangla newspaper, bangladesh news 24, bangla newspaper prothom alo, bd news live, indian bangla newspaper, bd news live today, bbc bangla news, bangla breaking news 24, prosenjit bangla movie, jeeter bangla movie, songsar bangla movie, bengali full movie, bengali movies 2019, messi vs ronaldo, lionel messi stats, messi goals, messi net worth, messi height

করোনায় চিকিৎসকদের সুরক্ষা এবং সম্মানে কোন অন্যায়ের সাথে মাথা নত করা হবে না বলে জানিয়েছেন ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

এবার দেশটিতে স্বাস্থ্যকর্মীদের উপর হামলা বন্ধে কঠোর আইন প্রণয়ন করেছে সরকার।

সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, দোষী প্রমাণিত হলে সর্বনিম্ন তিন মাস থেকে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের জেল হতে পারে। সঙ্গে হামলার মাত্রা বিচার করে ৫০,০০০ টাকা থেকে দু’লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা ধার্য করা হতে পারে।

‘যদি গুরুতর হামলা হয়, গুরুতর চোট লাগে, তাহলে ছ’মাস থেকে সাত বছরের জেলের বিধান আছে। এরকম ক্ষেত্রে জরিমানার অঙ্ক এক লাখ থেকে পাঁচ লাখ টাকা হবে। পাশাপাশি জরিমানাও বেশি দিতে হবে। অর্থাৎ বার্তা পরিষ্কার, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উপর হামলা বরদাস্ত করা হবে না।’

যদিও এর আগে ভারতজুড়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের উপর হামলার ঘটনা বন্ধে কড়া আইনি ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছিলেন চিকিৎসকরা। সোমবার আইএএম-এর তরফে জানানো হয়, হামলা রুখতে কেন্দ্রীয় আইন প্রণয়ন করা না হলে আগামী বৃহস্পতিবার কালা দিবস পালন করা হবে।

এরই প্রেক্ষিতে বুধবার সকালে চিকিৎসক ও ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের (আইএমএ) সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে করেন অমিত শাহ। বৈঠকে ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধন, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিব প্রীতি সুদান-সহ অন্যান্যরা। সেখানে চিকিৎসকদের আশ্বস্ত করেন শাহ। চিকিৎসকদের কাজের প্রশংসাও করেন তিনি।

পরে একটি টুইটবার্তায় অমিত শাহ বলেন, ‘চিকিৎসকদের সুরক্ষা ও সম্মানের সঙ্গে কোনওরকম আপস করা হবে না। তাঁদের কাজের জন্য সবসময় উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা আমাদের সবার দায়িত্ব।

আমি চিকিৎসকদের আশ্বস্ত করেছি যে মোদি সরকার তাঁদের (সুরক্ষায়) প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ও তাঁদের প্রস্তাবিত প্রতিবাদের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়েছি।’

ভারতের দেশের বিভিন্ন প্রান্তে স্বাস্থ্যকর্মীদের উপর হামলার ঘটনা রুখতে ১৮৯৭ সালের মহামারী আইনে (এপিডেমিক ডিজিজ অ্যাক্ট) পরিবর্তন করে একটি অধ্যাদেশ আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জাভড়েকর বলেন, ‘স্বাস্থ্যকর্মীদের উপর কোনও হিংসা বা তাঁদের হেনস্থার ঘটনা আর বরদাস্ত করা হবে না।’

নয়া অধ্যাদেশে আরও একটি বিশেষ নিয়ম রয়েছে বলে জানান জাভড়েকর। সেই নিয়ম অনুযায়ী, হামলায় চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের গাড়ি বা ক্লিনিক ক্ষতিগ্রস্ত হলে বাজারদর অনুযায়ী যত টাকা ক্ষতি হয়েছে, তার দ্বিগুণ অর্থ হামলাকারীদের দিতে হবে।