জেকেজি হেলথকেয়ার এর চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরীকে ৪ দিনের রিমান্ডে নেয়ার আবেদন করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রোববার (১২ জুলাই) বিকেলে এ তথ্য জানান তেজগাঁও উপ পুলিশ কমিশনার হারুনুর রশীদ।
এর আগে দুপুর ১টায় তেজগাঁও উপ পুলিশ কমিশনার কার্যালয়ে আসেন আত্মগোপনে থাকা ডা. সাবরিনা। এরপরই শুরু হয় পুলিশের প্রায় ৩ ঘণ্টার জিজ্ঞাসাবাদ। করোনার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা না করেই ভুয়া রিপোর্ট দেয়ার প্রতারণার মামলায় পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।
পুলিশ জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশের করা একটি প্রশ্নেরও দিতে পারেনি জেকেজির চেয়ারম্যান। অস্বীকার করতে থাকেন সব অভিযোগ। এ কারণেই স্বামী আরিফের মতোই প্রতারণার মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয় সাবরিনাকে। পরে পুলিশের গাড়িতে করে সাবরিনাকে নেয়া হয় তেজগাঁও থানায়।
সংবাদ সম্মেলনে তেজগাঁও জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. হারুনুর রশীদ জানান, হাজারো মানুষকে করোনার ভুয়া রিপোট দিয়ে তাদের জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলেছে জেকেজি। আর চেয়ারম্যান হিসেবে সাবরিনা কোনোভাবেই এর দায় এড়াতে পারেন না।
তিনি বলেন, তেজগাঁও থানার প্রতারণার মামলায় সাবরিনাকে আগামীকাল (১৩ জুলাই) আদালতে তোলা হবে। সেখানে সাবরিনার ৪ দিনের রিমান্ড চাইবে পুলিশ।

