ঢাকা ও চট্টগ্রামেই মৃত্যু ৮শ’র অধিক


করোনায় মৃত্যু

গত দেশে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয় ৮ মার্চ। প্রথম মৃত্যুর দেখা মেলে ১৮ মার্চ। এরপর পেরিয়েছে তিন মাস। বেড়েছে আক্রান্তের সংখ্যা। পাল্লা দিয়ে বেড়েছে মৃত্যুর সংখ্যাও,

দেশে মঙ্গলবার (৯ জুন) পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭১ হাজার ৬৭৫ জনে। সর্বমোট মৃত্যু হয় ৯৭৫ জনের।

সাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, ৯ জুন একদিনে সর্বোচ্চ রেকর্ডসংখ্যক ৩ হাজার ১৭১ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এদিন রেকর্ড হয়েছে মৃত্যুতেও, সর্বোচ্চ ৪৫ জনের মৃত্যু হয়। এছাড়া এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন মোট ১৫ হাজার ৩৩৬ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত তিন মাসে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে যারা মারা গেছেন, এর ৮৬ শতাংশই ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের। তাদের কেউ হাসপাতালে, কেউ বাসায় আবার কেউবা হাসপাতালে আসার পথে মারা যান।

জানা যায়, ৯ জুন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণকারী ৯৭৫ জন রোগীর মধ্যে রাজধানী ঢাকায় ২৯৫ জন এবং রাজধানী ব্যতীত ঢাকা বিভাগে ২৮১ এবং চট্টগ্রাম বিভাগের ২৫৮ জন।

এর বাইরে ময়মনসিংহ বিভাগে ২০, রাজশাহী বিভাগে ২০, রংপুর বিভাগে ২৬, খুলনা বিভাগের ১৬, বরিশাল বিভাগে ২২ এবং সিলেট বিভাগে ৩৭ জনের মৃত্যু হয়।

সূত্র জানায়, রাজধানী ঢাকা ও ঢাকা বিভাগের আওতাধীন কয়েকটি জেলা যেমন- নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, নরসিংদী এবং চট্টগ্রাম বিভাগ করোনা সংক্রমণের শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার তালিকায় ছিল। এসব এলাকা থেকেই পরবর্তীতে বিভিন্ন বিভাগের বিভিন্ন জেলায় সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে।

দেশব্যাপী চলমান করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ও মৃত্যু ঠেকাতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা অনুপাতে বিভিন্ন এলাকাকে রেড, ইয়েলো এবং গ্রিন জোনে চিহ্নিত করে লকডাউন এবং জনসচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করছে সরকার।